• Hillbd newsletter page
  • Hillbd rss page
  • Hillbd twitter page
  • Hillbd facebook page
সর্বশেষ
রামগড়ে তথ্য অফিসের প্রেস ব্রিফিং                    রামগড়ে স্বাস্থ্য বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত                    রামগড়ে অভিযানে ভারতীয় মদ ও ইয়াবা উদ্ধার করেছে বিজিবি                    মহালছড়িতে ৩ গ্রামবাসীকে অপহরণের নিন্দা ও প্রতিবাদ ইউপিডিএফের                    রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের মাসিক সভা                    জুরাছড়িতে জেলা পরিষদের নারীদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ                    রাঙামাটি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের বাঘাইছড়িতে বন্যা কবলিত স্থান পরিদর্শন                    ঈদের ছুটিতে খাগড়াছড়ির বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে দর্শনার্থীদের ভীড়                    বাঘাইছড়িতে দুর্বৃত্তদের গুলিতে এমএন লারমা গ্রুপের জেএসএস`র এক সদস্য নিহত                    রাঙামাটি-খাগড়াছড়ি সড়কে সাময়িকভাবে ভারী যানবাহন বন্ধ                    বান্দরবানের লামায় এক কিশোরীর লাশ উদ্ধার                    রাঙামাটিতে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য্যরে মধ্যে দিয়ে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত                    পানছড়িতে দুর্বৃত্তদের গুলিতে এমএন লারমা গ্রুপের জেএসএস’র এক কর্মী নিহত                    খাগড়াছড়িতে মাসব্যাপী আম মেলা শুরু হয়েছে                    ঢাবি’র মেধাবী ছাত্র সুমন চাকমার জীবন বাঁচাতে সহায়তার কামনা                    জেলা পরিষদের বিলাইছড়িতে দুঃস্থদের মাঝে ঈদ বস্ত্র বিতরণ                    জেলা পরিষদের বরকলে বন্যা দুর্গতদের নগদ অর্থ ও বস্ত্র বিতরণ                    লংগদুতে দুুর্বৃত্তদের গুলিতে এমএন লারমা গ্রুপের জেএসএস’র ১ কর্মী নিহত,আহত ১                    বাঘাইছড়িতে বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত,পানিতে ডুবে ১জনের মৃত্যু                    মগবানের টর্নেডোতে ৩টি বাড়ী বিধস্ত,গাছগাছালির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি                    রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ থেকে কোতয়ালী থানায় টিভি প্রদান                    
 

পাহাড়ে মৎস্য চাষ প্রকল্প বাস্তবায়নে জনপ্রতিনিধি ও সুবিধাভোগীদের অসন্তোষ!

স্টাফ রিপোটার, খাগড়াছড়ি : হিলবিডি টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published: 04 Jun 2018   Monday

পার্বত্য তিন জেলায় পাঁচ বছর আগে শুরু হওয়া মৎস্য বিভাগের এক প্রকল্পের শেষ সময়ে ব্যাপক অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধি এবং সুবিধাভোগীদের কাছ থেকেই।

 

২০১২ সালের জুলাই মাসে শুরু হওয়া এই প্রকল্পটি শেষ হচ্ছে চলতি জুন মাসেই। প্রায় ৪৮ কোটি সরকারি টাকা ব্যয়ে তৈরি ৮২৮টি ক্রিক বা বাঁধের মাধ্যমে সৃষ্ট ৮৬৩ হেক্টর জলাশয়ে প্রতিবছর প্রায় ১৭০৬ মেট্টিন টন মাছ উৎপাদনের কথা ছিল। সেই লক্ষ্যমাত্রা পূরণ তো দূরে থাক, এর ৭৫ শতাংশ জলাশয়ই এখন অপ্রয়োজনীয়,পরিত্যক্ত।

 

‘পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে মৎস্য চাষ উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ’ নামের এই প্রকল্পের আওতায় রোববার জেলা পরিষদের মিলনায়তনে এক অবহিত করন কর্মশালায় জনপ্রতিনিধি ও সুবিধাভোগীরা প্রকল্প বাস্তবায়নে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

 

জেলা পর্যায়ে মৎস্য বিভাগের সবচেয়ে প্রভাবশালী কর্তৃপক্ষ ‘পার্বত্য জেলা পরিষদ’। আর সেই পরিষদের চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী কর্মশালাটিতে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, পার্বত্য চুক্তির আলোকে মৎস্য বিভাগ জেলা পরিষদে ন্যস্ত। কিন্তু মৎস্য প্রকল্প গ্রহন,বাস্তবায়নে কোন কিছুতেই পরিষদকে অবহিত করা হয় না। শান্তিচুক্তি অনুয়ায়ী ও প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন বাস্তবায়নে পাহাড়ের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে কাজ করতে না পারলে চলে যান। এ প্রকল্পে প্রধানমন্ত্রী পাহাড়ের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করার জন্য কাজ করছে। কিন্তু মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তাদের দায়সারা মনোভাবে যদি কোনভাবে সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে বাধা সৃষ্টি হয় কাউকে ছাড় দেয়া হবে না।


কর্মশালায় দীঘিনালা উপজেলা চেয়াম্যান নব কমল চাকমা, মানিকছড়ি উপজেলা চেয়ারম্যান ¤্রাগ্য মারমা, গুইমারা উপজেলা চেয়ারম্যান উশ্যেপ্রু মারমা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এ প্রকল্পর উন্নয়ন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।


মানিকছড়ি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বলেন, এই প্রকল্পের আওতায় মানিকছড়ি উপজেলায় যেকটি ক্রিক ও মৎস্য বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছে, তাতে সঠিক ও যথাযত তদারকি ছিল না। কাজ অসমাপ্ত রেখেই ঠিকাদার চুড়ান্ত বিল নিয়ে গেছেন। ফলে এসব প্রকল্প থেকে জনগণ কোন সুফল পাচ্ছেন না।


কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এটিএম কাউসার হোসেন, মৎস্য অধিদপ্তরর প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা এ,এস,এম রাশেদুল হক, চট্টগ্রামের মৎস্য অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক বজলুর রশিদ, পার্বত্য প্রকল্প পরিচালক আব্দুর রহমান,জেলা মৎস্য আবুল খায়ের মোঃ মোখলেছুর রহমান প্রমুখ।


পার্বত্য তিন জেলায় ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে মৎস্য চাষ উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্প’ (৩য় পর্যায়) চালু হয়েছিল কয়েক বছর আগে। পুকুর আর জলাশয়ের স্বল্পতার কারণে পিছিয়ে থাকা এ অঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়নই ছিল এ প্রকল্পের প্রধান উদ্দেশ্য।
গত ২০১৬ সালের ৩০ মার্চ রাঙামাটিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক সংসদীয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর, খাগড়াছড়ির সংসদ সদস্য কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা ও রাঙামাটি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বৃষকেতু চাকমা উপস্থিত ছিলেন। সে সভাতেও এ প্রকল্প উন্নয়ন বাস্তবায়নে ব্যাপক অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল।


এদিকে ৩য় পর্যায়ের প্রকল্পের অধিকাংশ কাজই বর্তমানে শেষ পর্যায়ে আছে। এর আগের দুই পর্যায়ে তেমন বড় কোনো কাজ না হলেও এবার তৃতীয় পর্যায়েই সবচেয়ে বেশি ক্রিক নির্মাণ করা হয়েছে।


ক্রিক নির্মাণের কাজ করেছেন, এমন একজন ঠিকাদার নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, ‘কাজ পেতে জনৈক কর্মর্কতাকে ঘুষসহ চার আঞ্চলিক দলের সশস্ত্র কর্মীদের নির্ধারিত হারের চাঁদা দেওয়ার পর কাজের মান আর কি থাকে, সেটা তো আপনারাই বুঝতে পারছেন!’’


এ ব্যাপারে প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা এ এস এম রাশেদুল হক বলেন, বিগত প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়নে কোন ধরনের অবহিত করন কর্মশালার বরাদ্দ ছিল না,তাছাড়া গত প্রকল্প বাস্তবায়নের যে অভিযোগগুলো উঠে আসছে তা খতিয়ে দেখা হবে। আগামীতে প্রকল্প গ্রহন ও বাস্তবায়নে জনপ্রতিনিধিসহ পার্বত্য জেলার আইনানুযায়ী করার ব্যবস্থা করা হবে।
--হিলবিডি২৪/সম্পাদনা/সিআর.

 

 

এই বিভাগের সর্বশেষ
আর্কাইভ