• Hillbd newsletter page
  • Hillbd rss page
  • Hillbd twitter page
  • Hillbd facebook page
সর্বশেষ
বিএনপি-জামাত নির্বাচনের আগে নতুন প্রজম্মকে বিভ্রান্তের অপচেষ্টা চালাচ্ছে                    তিন দিনের টিউবওয়েল বিষয়ক প্রশিক্ষণ সমাপ্ত                    কাপ্তাইয়ের গরীব ও দু:স্হ পরিবারের মাঝে চাল বিতরণ                    খাগড়াছড়িতে অপহৃতদের মুক্তির দাবীতে গ্রামবাসীদের বিক্ষোভ,৪ গ্রামবাসী উদ্ধার                    রাঙামাটিতে মাদকের বিরুদ্ধে জোরালো অভিযানের দাবীতে মানববন্ধন                    এতিমখানা ও মোনঘর শিশু সদনে জেলা পরিষদের নগদ অর্থ বিতরণ                    সমকাল সম্পাদকের মৃত্যুতে পানছড়ি প্রেস ক্লাবের শোক                    রাঙামাটিতে ভিসিএফের উদ্ভিদ ও প্রাণী জরিপ ফলাফল শেয়ারিং কর্মশালা                    রাঙামাটি রিজিয়নের বিদায়ী ও নতুন কমান্ডার জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের সাথে সৌজন্য সাক্ষাত                    রাঙামাটিতে জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিষয়ে প্রমিক্ষণ কর্মশালা                    দেশবরেণ্য সাংবাদিক সমকাল সম্পাদক গোলাম সারওয়ার আর নেই                    খাগড়াছড়িতে স্মরকলিপি প্রদান শেষে ফেরার পথে ৪ গ্রামবাসীকে অপহরণের অভিযোগ                    জাতীয় শোক দিবস উদযাপনের লক্ষে পানছড়িতে প্রস্তুতি মূলক সভা                    পানছড়িতে ব্র্যাকের ‘‘ইগরা” প্রকল্পের দিনব্যাপি কর্মশালা                    বিলাইছড়িতে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে চিত্রাংকন প্রতিযোগিতার আয়োজন                    পানছড়িতে শিক্ষার্থীকে মাঝে শিক্ষা অনুদানের অর্থ বিতরণ                    কাপ্তাইয়ে বিভিন্ন প্রজাপতির মাছের পোনা বিতরন ও অবমুক্তকরণ                    জাতির জনকের ৪৩তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বরকলে আলোচনাসভা                    রাঙামাটিতে সংগীত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিল্পীদের পুরস্কার বিতরণ                    খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদের ৭৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ক্লাব ও সংগঠনকে অনুদানের চেক হস্তান্তর                    আন্তর্জাতিক যুব দিবসে কাপ্তাইয়ে র‌্যালী ও আলোচনা সভা                    
 

পাহাড় ধস ট্র্যাজেডীর এক বছর
স্থায়ী ব্যবস্থা না হওয়ায় ক্ষিতিগ্রস্তরা ফের হাড়ের ঢালে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাস করছে

স্টাফ রিপোটার : হিলবিডি টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published: 12 Jun 2018   Tuesday

বুধবার কাপ্তাইয়ে পাহাড় ধস ট্র্যাজেডীর এক বছর। গেল বছর ১৩ জুন ভয়াবহ পাহাড় ধসে কাপ্তাই উপজেলার বিভিন্ স্থানে শিশুসহ ১৮ জনের মুত্যু হয়।

 

পাহাড় ধসে চন্দ্রঘোনা ইউনিয়নের মিতিঙ্গাছড়িতে মোঃ সবুজ তার পিতা নুরনবী, স্ত্রী রুপসী ও ৫ বছরের শিশু রোহানকে হারিয়েছে। এরপর সরকারি ভাবে কিছু নগদ অর্থ ও টিন সহায়তা পেয়ে ধসেপড়া স্থানেই আবারও বসতঘর নির্মান করেছে। তার মতো ক্ষতিগ্রস্থ অনান্য পরিবারগুলোও পাহাড়ের ঢালে ঝুঁকিপূর্ণ স্থানেই বসবাস করছে। অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এলকায় বসবাসকারী ৪০ পরিবারকে তখন স্থায়ীভাবে কোথাও বসবাসের বন্দেবস্ত করার জন্য উপজেলা প্রশাসন থেকে সুপারিশ করা হলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি । ফলে পরিবার গুলোকে ঝুঁকি নিয়ে পাহাড়ের ঢালে বসবাস করতে হচ্ছে। 

 

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ১৩ জুন ২০১৭ তারিখে ১৮ জনের মুত্যুর পর ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারী কয়েক’শ পরিবারকে উপজেলার বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে রাখা হয়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে অধিকাংশ পরিবারই নিজ নিজ বাসস্থানে ফিরে যায়। কিন্তু মারতœক ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় ৪০টি পরিবারকে কাপ্তাইয়ের বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে রেখে দেওয়া হয়। ২ জুলাই ২০১৭ তারিখ এসব পরিবারকে স্থায়ীভাবে পূর্নবাসরে জন্য উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এক জরুরী বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ সরকারী দায়িত্বশীল কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও জনপ্রতিনিধি এবং গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু দূর্যোগ শেষ হওয়ার প্রায় ৩ মাস পরও ওই ৪০ পরিবার আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করলেও তাদেরকে স্থায়ীভাবে বসবাসের কোন ব্যবস্থা করতে পারেনি সংশ্লিষ্ট প্রশাসন। নিরুপায় হয়ে নিম্ন আয়ের এসব মানুষ বাধ্য হয়ে পুনারয় ঝুঁকিপুর্ণ এলকায় বসবাস করতে থাকে।


চিৎমরম মুসলিম পাড়ায় বসবাসকারী মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন জানান, প্রতিবছর দূর্যোগপূর্ন আবহাওয়া এলেই ঝুঁকির্পূণ এলকায় বসবাসকারী পরিবারগুলোকে আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে বাধ্য করা হবে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ওই পরিবারগুলো আবারো ঝুঁকিপূর্ণ এলকায় বসবাস শুরু করবে। এভাবে কতদিন চলবে? এসব পরিবারকে স্থায়ীভাবে পুর্নবাসন করা না হলে বছরের পর বছর চলতে থাকবে এ পরিস্থিতি। এটা অমানবিক বলে তিনি মন্তব্য করেন। বৃদ্ধা মঞ্জু বেগম (৫০), মোঃ নাছির (৫০), সুমি বেগম (২২) জানান, আমরা খেটে খাওয়া মানুষ। আমাদের মাথা গোঁজার কোন ঠাই নেই। দীর্ঘ ৩/৪ মাস আশ্রয়কেন্দ্রে থাকার পরও আমাদের থাকার কোন স্থায়ী ব্যবস্থা করা হয়নি। আমরা কোথায় যাব? তাই ঝুঁকি সত্বেও আমরা নিরুপায় হয়ে পাাহড়ের ঢালে বসবাস করতে বাধ্য হয়েছি।


কাপ্তাই উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ দিলদার হোসেন বলেন, আমরা জেলা পর্যায়ে লেখালেখি করেছি, এসব পরিবারকে স্থায়ীভাবে পূর্ণবাসনের জন্য। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় জেলা প্রশাসন থেকে আশানুরুপ কোন সাড়া পাইনি।

 

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মাদ রুহুল আমীন বলেন, স্থায়ী জায়গা না পওয়ায় এসব পরিবারকে পুর্নবাসন করা সম্ভব হচ্ছে না।
--হিলবিডি২৪/সম্পাদনা/সিআর.

 

এই বিভাগের সর্বশেষ
আর্কাইভ