পানছড়িতে মা, শিশু ও কিশোরী-কিশোরী স্বাস্থ্য সেবার মান উন্নয়নে সফল অবদানে সন্মাননা

Published: 19 Nov 2018   Monday   

সোমবার খাগড়াছড়ির পানছড়িতে মা, শিশু ও কিশোরী-কিশোরী স্বাস্থ্য সেবার মান উন্নয়নে সফল অবদানের স্বীকৃতি স্বরুপ পুরষ্কার বিতরন ও সন্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

 

উপজেলা হল রুমে আয়োজিত ইয়ং পাওয়ার ইন সোশ্যাল এ্যাকশন,  ইপসা-শো প্রকল্পের আওতায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সিভিল সার্জন ডা. মোঃ শাহ আলম।

 

পরিবার পরিকল্পনা, খাগড়াছড়ির উপ-পরিচালক বিপ্লব বড়–য়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উক্ত অনুষ্ঠানে অন্যান্যর মধ্যে বক্তব্য রাখেন পানছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ তোহিদুল ইসলাম, পানছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সনজীব ত্রিপুরা, পানছড়ি উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সোহাগময় চাকমা,পানছড়ি প্রেস ক্লাবের সভাপতি নূতন ধন চাকমা, লতিবান ইউপি চেয়ারম্যান কিরন ত্রিপুরা, চেঙ্গি ইউপি চেয়ারম্যান কালাচাদঁ চাকমা, উল্টাছড়ি ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান সুব্রত চাকমা ইপসা’র প্রকল্প ব্যবস্থাপক মোঃ জসিম উদ্দিন, বিলাস সৌরভ বড়–য়া, টেকনিক্যাল অফিসার মোঃ হাবিবুর রহমান, ইপসা’র কর্মকর্তা মিহির কান্তি ত্রিপুরা, আব্দুল কাদের, বিউটি চাকমা প্রমূখ।

 

অনুষ্ঠানে পানছড়ি উপজেলায় সফল ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কেন্দ্র ,ব্যবস্থাপনা কমিটি, কমিউনিটি গ্রুপ, পিয়ার এডুকেটর, চেইঞ্চ মেকার সদস্য, পরিবার কল্যান পরিদর্শিকা, নারী ও পুরুষ কমিউনিটি হেলথ ওয়ার্কার, সিএসবিএকে পুরষ্কার ও সন্মাননা প্রদান করা হয়। এছাড়া উক্ত অনুষ্ঠানে ১০জন দুস্থ্য প্রসুতি মাকে প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে নিরাপদ প্রসব সেবার খরচ বাবদ আর্থিক সহায়তার চেক প্রদান করা হয়।

 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিভিল সার্জন ডা. মোঃ শাহ আলম বলেন, সরকারের পাশাপাশি বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থাসমূহ  স্বাস্থ্য সেবায় যেভাবে এগিয়ে আসছে তা আমাদের সকলকে কাজে লাগাতে হবে। পশ্চাদপদ পার্বত্য এ এলাকার স্বাস্থ্য সেবার মান উন্নয়নে সরকারী-বেসরকারী সকলে সন্মিলিতভাবে কাজ করলে আগামীতে মাতৃমৃত্যুর হার শূণ্যের কোটায় নিয়ে আসা যাবে। এ জন্য বাড়ীতে ডেলিভারী না করে স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ডেলিভারির উপর গুরুত্ব দিতে হবে। প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে শতভাগ ডেলিভারী নিশ্চিত করা গেলে আগামী দিনের ভবিষ্যৎ প্রজন্মও সুস্থ থাকবে।

 

তিনি আরো বলেন, পার্বত্য এলাকার উন্নয়নে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা সমূহও বিরাট ভুমিকা পালন করে যাচ্ছে। সকলে সন্মিলিত ভাবে উন্নয়ন কর্মকান্ডের সুফল প্রত্যন্ত এলাকায় পৌছে দিতে হবে। তিনি ইপসা’র উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডের ভূয়শী প্রশংসা করে বলেছেন পানছড়িসহ পার্বত্য এলাকার প্রত্যন্ত এলাকায় ইপসা যেভাবে উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে এতে সকলকে সহযোগীতা করতে হবে। তিনি পানছড়ি উপজেলাকে স্বাস্থ্য সেবায় বাংলাদেশের মডেল হিসেবে তৈরী করতে সকলকে একসাথে কাজ করার আহবান জানান।

 

পরিবার পরিকল্পনা, খাগড়াছড়ির উপ-পরিচালক বিপ্লব বড়ুয়ার বলেন, ইপসা’র সাথে আমার যেন আতœার সর্ম্পক। ইপসা পানছড়ি উপজেলাসহ প্রত্যন্ত এলাকায় যে সকল উন্নয়ন কাজ করে যাচ্ছে তা এ এলাকার জন্য স্বরনীয় হয়ে থাকবে। তিনি যে কোন ক্ষেত্রে সবসময় ইপসা’র সাথে থাকবেন বলে আশ্বাস দেন।

--হিলবিডি২৪/সম্পাদনা/সিআর.

উপদেষ্টা সম্পাদক : সুনীল কান্তি দে
সম্পাদক : দিশারি চাকমা
মোহাম্মদীয়া মার্কেট
কাটা পাহাড় লেন, বনরুপা
রাঙামাটি পার্বত্য জেলা।
ইমেইল : info@hillbd24.com
সকল স্বত্ব hillbd24.com কর্তৃক সংরক্ষিত