• Hillbd newsletter page
  • Hillbd rss page
  • Hillbd twitter page
  • Hillbd facebook page
সর্বশেষ
রাবিপ্রবি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা, শিক্ষার্থীদের হল ত্যাগের নির্দেশ                    বিলাইছড়ি থেকে পালিয়ে যাওয়া ৪ শিশুকে উদ্ধার                    সিএইচটি রেগুলেশন বাতিলের ষড়যন্ত্র বন্ধের দাবিতে বিভিন্ন স্থানে ইউপিডিএফের বিক্ষোভ                    সিএইচটি রেগুলেশন বাতিলের ষড়যন্ত্র বন্ধের দাবিতে রাঙামাটিতে মানববন্ধন                    কল্পনা চাকমা অপহরণ মামলা আদালতে পুর্নবিবেচনা গ্রহন, শুনানী ১৭ নভেম্বর                    নারী পাচারকারীদের শাস্তির দাবীতে রাঙামাটিতে মানববন্ধন                    নারী পাচার মামলায় গ্রেফতারকৃত মামিয়াসহ তিন জনকে কারাগারে প্রেরণ                    পার্বত্য চুক্তি বাস্তবায়িত না হলে ১৯০০ সালের শাসনবিধির অস্তিত্বই থাকবে না-সন্তু লারমা                    আস্থা প্রকল্পের সরকারি কর্মকর্তা ও অংশীজনদের পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত                    বাঘাইহাটে গ্রামবাসীদের সাথে আঞ্চলিক দলের মধ্যে সংঘর্ষে ১ জন নিহত ও ২ আহত                    রাঙামাটিতে জনপ্রতিনিধিদের সাথে সিভিক প্লাটফফর্ম ও ইয়ুথ গ্রুপের সংলাপ                    কাপ্তাইয়ে ছাত্রীকে হত্যার দায়ে শিক্ষককে মৃত্যুদন্ডের আদেশ                    রাঙামাটিতে কল্পনা চাকমা অপহরণকারীদের জনতার আদালতে প্রতীকি ফাঁসি                    কল্পনা চাকমা অপহরণকারীদের বিচারের দাবীতে রাঙামাটিতে বিক্ষোভ-সমাবেশ                    দুর্গম অঞ্চলে শিক্ষার্থীদের জন্য ২৬টি উপজেলায় একটি করে ছাত্রাবাস নির্মাণ করা হবে-সুপ্রদীপ চাকমা                    বড়থলি ইউপি চেয়ারম্যান হত্যার ঘটনায় ৪ আওয়ামীলীগ নেতা গ্রেফতার                    বড়থলী ইউপি চেয়ারম্যান আতোমং মারমা হত্যার ঘটনায় থানায় মামলা                    দুর্বৃত্তদের গুলিতে আহত বড়থলি ইউপি চেয়ারম্যান আতোমং মারমা আর নেই                    পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলকি পরষিদকে অর্কাযকর ও অর্থব রাখা হয়েছে--সন্তু লারমা                    রাঙামাটিতে নানান ধর্মীয় অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বুদ্ধ পূর্ণিমা উদযাপিত                    সন্ত্রাসীদের গুলিতে রাঙামাটির বড়থলি ইউপি চেয়ারম্যান আহত                    
 
ads

সিএইচটি রেগুলেশন বাতিলের ষড়যন্ত্র বন্ধের দাবিতে রাঙামাটিতে মানববন্ধন

ষ্টাফ রিপোর্টার : হিলবিডি টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published: 09 Jul 2024   Tuesday

আদালতের মাধ্যমে সিএইচটি রেগুলেশন ১৯০০ বাতিলের ষড়যন্ত্র বন্ধের দাবিতে মঙ্গলবার রাঙামাটিতে মানববন্ধন ও প্রধানমন্ত্রীর বরাবর স্মারলিপি প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া একই দাবীতে ইউপিডিএফ ও সহযোগী সংগঠনসমূহের উদ্যোগে রাঙামাটির বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে।

জেলা প্রশাসন কার্যালয় চত্বর সামনে চাকমা সার্কেলের প্রথাগত প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন চলাকালে সমাবেশে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক কমিটির সভাপতি গৌতম দেওয়ানের সভাপতিত্বে অন্যান্যর মধ্যে বক্তব্যে দেন জাতীয় মানবধিকার কমিশনের সাবেক সদস্য নিরূপা দেওয়ান,আদিবাসী ফোরামের পার্বত্যাঞ্চল শাখার সভাপতি প্রকৃতি রঞ্জন চাকমা, সিএইচটি হেডম্যান এসোসিয়শনের রাঙামাটি সভাপতি চিংকিউ রোয়াজা, কালাপাকুজ্জ্য হেডম্যান সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী। স্বাগত বক্তব্যে রাখেন সিএইচটি হেডম্যান এসোসিয়শনের সাধারন সম্পাদক শান্তিবিজয় চাকমা। মানবন্ধনে বিভিন্ন শ্রেনীর কয়েক হাজার নারী-পুরুষ অংশ নেন। পরে জেলা প্রশাসকের মাধ্যেম প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন নেতৃবৃন্দ।

সমাবেশে নেতৃবৃন্দ অভিযোগ করে বলেন, আগামী ১১ জুলাই উচ্চতর আদালতের মাধ্যমে রাষ্ট্রের একটি অংশ সিএইচটি রেগুলেশন ১৯০০ বাতিলের ষড়যন্ত্র করছে। এটি বাতিল করা হলে পার্বত্য চট্টগ্রামের শত বছরের ঐতিহ্যবাহী রীতিপ্রার প্রতিষ্ঠান ধ্বংসের পাশাপাশি পাহাড়ে প্রচন্ড আশান্তি সষ্টি হবে। পার্বত্য চুক্তির মাধ্যমে পাহাড়ে যে শান্তি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে তার ব্যাহত হবে, অরাজগতা দেখা দেবে। সিএইচটি রেগুলেশন ১৯০০ শাসনবিধি বাতিল হলে পাহাড়ী জনগণের অনুভুতিতে মারাতœক আঘাত হানবে।

প্রধানমন্ত্রীর বরাবরে দেওয়া স্মারকলিপিতে বলা হয়, পার্বত্য চট্টগ্রাম রেগুলেশন ১৯০০, যা হিল ট্র্যাক্টস ম্যানুয়াল নামেও পরিচিত, যেটি কিনা ১৯ জানৃয়াারী ১৯০০ সালে কার্যকর হয়। তারপর থেকে এটি পার্বত্য চট্টগ্রামে প্রশাসন সংক্রান্ত প্রধান আইনী দলিল হিসেবে কাজ করে চলেছে। পাশাপাশি এই প্রবিধানে বিভিন্ন বিধানসমূহ রয়েছে যা এই অঞ্চলের সুশাসন, ভূমি ও প্রাকৃতিক সম্পদের সংরক্ষণ এবং এই অঞ্চলের জনগণের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সুরক্ষা এবং আন্তঃপ্রজন্মগত চর্চার জন্য অপরিহার্য। ২০০৩ সালে তৎকালীন বিএনপি সরকারের অ্যাটর্নি জেনারেল এ. এফ. হাসান আরিফের আবেদনের ভিত্তিতে হাইকোর্টের একটি বিভাগীয় বেঞ্চ ১৯০০ সালের পার্বত্য চট্টগ্রাম রেগুলেশনকে একটি ‘‘মৃত আইন’’ হিসাবে ঘোষণা করেন। পরবর্তীকালে এই প্রেক্ষিতে তৎকালীন আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের আমলে উক্ত রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়। ২০১৭ সালে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ শুনানি শেষে “পার্বত্য চট্টগ্রাম রেগুলেশন ১৯০০”- কে একটি সম্পূর্ণ “জীবিত ও বৈধ” আইন হিসেবে বলবৎ রাখেন। কিন্তু ২০১৮ সালে পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙ্গামাটি এবং খাগড়াছড়ি জেলার বসতি স্থাপনকারী, যথাক্রমে আব্দুল আজিজ আখন্দ এবং আব্দুর মালেক নামের দুই ব্যক্তি, পার্বত্য চট্টগ্রাম রেগুলেশন, ১৯০০ বিষয়ক সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের উক্ত রায়ের বিরুদ্ধে দুটি রিভিউ পিটিশন দাখিল করেন। তাদের পক্ষে সিনিয়র আইনজীবী ছিলেন তৎকালীন বিএনপি সরকারের পূর্বেকার নিয়োগপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল জনাব এ. এফ. হাসান আরিফ। উল্লেখ্য যে, রিভিশনকারী ব্যক্তিদ্বয় এ রেগুলেশন সংক্রান্ত উপরোক্ত মামলা সমুহে কোন পক্ষভুক্ত ছিলেন না। সাধারণ রীতি অনুসারে সরকারের অনুকূলে সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া উক্ত রায়ের পক্ষে বিজ্ঞ অ্যাটর্নি জেনারেলের অবস্থান গ্রহণ করার কথা। কিন্তু তার পরিবর্তে তিনি ‘ রাজা’ আদিবাসী’’ শব্দসহ আরো কিছু শব্দ ও বাক্যাংশ বাদ দেওয়াসহ প্রথাগত আইনের বিস্তারিত ব্যাখ্যা সম্বলিত সর্বমোট দশটিরও অধিক অনুচ্ছেদ বাদ দেয়ার জন্য আদালতের কাছে মৌখিক ও লিখিতভাবে প্রার্থনা করেছেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে, ২০২৩ সালের ২৬ জুলাই পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। সেই স্মারকলিপিতে সুপ্রিম কোর্ট এর আপিল বিভাগে পার্বত্য চট্টগ্রাম রেগুলেশন ১৯০০ সংক্রান্ত চলমান দুটি রিভিউ মামলায়, রেগুলেশন ও এতে স্বীকৃত আদিবাসীদের অধিকার সম্বলিত প্রচলিত আইন, প্রথা ও রীতির জোরালো ও চলমান কার্যকারিতার পক্ষে অবস্থান গ্রহণের জন্য বিজ্ঞ অ্যাটর্নি জেনারেলকে যথাযথ নির্দেশের প্রার্থনা জানান। গত ৯ মে মামলাগুলি শুনানির তালিকার শীর্ষে আসলে বিজ্ঞ অ্যাটর্নি জেনারেল আদালতকে আবারও তার পূর্বের আবেদনের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট শব্দসমূহ, বাক্যাংশ ও প্রথাগত আইনের অনুচ্ছেদসমূহ বাতিল করার জন্য প্রার্থনা করেন। স্মারকলিপিতে আরো বলা হয়, অ্যাটর্নি জেনারেলকে নির্দেশ ও পরামর্শ প্রদান করে সংশ্লিষ্ট মামলাসমূহে পার্বত্য চট্টগ্রাম রেগুলেশন ১৯০০ এর পক্ষ অবলম্বন করেন, যার মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামের জনমানুষের অধিকার রক্ষিত হয়, পার্বত্য চট্টগ্রাম ১৯৯৭ এর শান্তি পুনঃপ্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নেওয়া যায় এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম সহ সমগ্র দেশের বহুমাত্রিক সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ করা হয়।
--হিলবিডি২৪/সম্পাদনা/সিআর.

ads
ads
এই বিভাগের সর্বশেষ
আর্কাইভ