• Hillbd newsletter page
  • Hillbd rss page
  • Hillbd twitter page
  • Hillbd facebook page
সর্বশেষ
করোনায় রাঙামাটিতে মোট আক্রান্ত ৩৪৫জন                    কাপ্তাইয়ে করোনা উপসর্গ নিয়ে চুয়েটের টেকনিশিয়ানের মৃত্যু                    করোনায় রাঙামাটিতে আক্রান্ত ৪৪ জন,মোট আক্রান্ত ৩৪৩জন                    পাহাড়ে অসহায়, দুঃস্থ ও নিন্ম আয়ের মানুষদের ঘরে ঘরে ত্রান পৌঁছে দিচ্ছে সেনা বাহিনী                    রাঙামাটি জেলায় নতুন করোনা আক্রান্ত ৩১, মোট আক্রান্ত ২৯৯                    বরকলে দুটি সমবায়কে ৪২টি ছাগল বিতরণ করেছে বিজিবি                    জলবায়ু পরিবর্তন ম্পর্কিত জেলা পর্যায়ে অভিজ্ঞতা বিনিময় কর্মশালা অনুষ্ঠিত                    ভূমি বেদখলের প্রতিবাদে পানছড়িতে এলাকাবাসীর বিক্ষোভ                    কাপ্তাই থানার ওসিসহ কাপ্তাইয়ে আরো ৯ জন করোনায় আক্রান্ত                    দূর্গম অাইমাছড়া ইউনিয়নে দুস্থ মহিলাদের মাঝে ভিজিডি চাল বিতরণ                    বরকলে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে সবজি বীজ বিতরণ                    বরকলে বিভিন্ন ওয়ার্ডে দুস্থ মহিলাদের মাঝে ভিজিডি চাল বিতরণ                    আইমাছড়া ইউপিতে সরকারের বিশেষ বরাদ্দ খাদ্যশস্য বিতরণ                    করোনা পরিস্থিতিতে রাঙামাটিতে বাড়ীভাড়া মওকুপের দাবী জানিয়েছে পিসিপি                    পঞ্চদশ সংশোধনী বাতিলের দাবিতে খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটিতে সমাবেশ ইউপিডিএফের                    এগ্রো-ইকোলজি প্রকল্পের উদ্যোগে আলীকদমে চারা বিতরণ                    বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে রাঙামাটিতে বৃক্ষরোপণ বিষয়ে সভা অনুষ্ঠিত                    বাঘাইছড়িতে জেলা পরিষদের সেলাই মেশিন ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ                    খাগড়াছড়িতে দুর্বৃত্তদের গুলিতে ইউপিডিএফ কর্মী নিহত                    রাঙামাটিতে নতুন করোনা আক্রান্ত ২৫, মোট আক্রান্ত ২৫৬                    কাপ্তাইয়ে পুলিশ ব্যাংক কর্মকর্তাসহ আরো ৭ জন করোনায় আক্রান্ত                    
 

মহালছড়ি মৎস্য অবতরন উপকেন্দ্রে রাজস্ব আদায় হলেও সুযোগ সুবিধা কম

রূপায়ন তালুকদার,খাগড়াছড়ি : হিলবিডি টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published: 11 Sep 2018   Tuesday

মহালছড়ি মৎস্য  অবতরন উপকেন্দ্রে রাজস্ব আদায় হলেও জেলে ও ব্যবসায়ীদের সুযোগ সুবিধা কম। এছাড়া উপজেলায় কর্মব্যস্ততা ও অর্থনৈতিক কর্মকান্ড তেমন নেই বললে চলে।

 

১৯৬০ সালে কাপ্তাই বাধের পর থেকে খাগড়াছড়ি জেলার মহালছড়ি ও দীঘিনালা উপজেলার কিছু অংশ কাপ্তাই বাধের পানিতে নিমোজ্জিত থাকে। জেলার এই দুই উপজেলার কিছু লোক মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করে। তার মধ্যে জেলার মহালছড়ি উপজেলাতে কাপ্তাই হৃদের তীরে বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশনের দুই কক্ষের একটি অফিস। যে অফিসের মাধ্যমে সরকারের রাজস্ব আয় হল লক্ষ লক্ষ টাকা। মাছ ধরে জীবন ধারন করা জেলে ও ব্যবসায়ীরা এই রাজস্ব দিয়ে থাকে। জেলে ও ব্যবসায়ীরা যে পরিমান রাজস্ব দিয়ে থাকে সে তুলনায় তাদের সুযোগ সুবিধা খুবই কম। কাপ্তাই বাধের তীরে অবস্থিত দুই কক্ষের অফিসের রাত দিন পালা ক্রমে দায়িত্ব পালন করছেন একজন কর্মকর্তা ও চার জন কর্মচারী। নানিয়ারচর,বুড়িঘাট,মরাচেঙ্গী,জাহানাতলী,মনাটেক,ভূয়াটেকসহ বিভিন্ন গ্রাম থেকে জেলেরা ইঞ্জিন চালিত নৌকায় করে মাছ ধরে নিয়ে এসে এই অফিসের সামনে ভিড়ায়। মাছ মেপে নিদিষ্ট হারে রাজস্ব দিয়ে ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে দেশের অন্যান্য অঞ্চলে মাছ পাঠানো ব্যবস্থা করা হয়। এ অঞ্চলের মাছ খুবই সুস্বাধু তাই চাহিদা ও বেশি। এই কাপ্তাই হৃদ থেকে আহরিত মাছের রাজস্ব নেহায়েত কম নয়। ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে এই কেন্দ্র থেকে ৮২ লক্ষ ৭১ হাজার ৫২১ টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছে। এই হৃদে মৎস্য প্রজনন মৌসুমে মে থেকে জুলাই তিন মাস বন্ধ থাকে আবার আগস্ট এক তারিখ থেকে মাছ ধরা শুরু হয়। এই সময়ে হৃদের পানি বেশি থাকা ছোট মাছ বেশি ধরা পড়ছে। যখন পানি কমে যাবে তখন বড় বড় ধরা পড়ে বলে জানান জেলে ও ব্যবসায়ীরা। এ বছর শুধু আগস্ট মাসে এ উপকেন্দ্রে আয় হয়েছে ২৩ লক্ষ ৮৭ হাজার ২৬২ টাকা যা গত বছর এই সময়ে তুলনায় ২০হাজার টাকার ও বেশি।

 

জেলে ও ব্যবসায়ীরা জানান তারা সরকারকে নিদিষ্ট হারে রাজস্ব দিয়ে থাকলে ও বিনিময়ে সুযোগ সুবিধা খুবি কম। যেখানে মাছ প্যাকেজিং করা হয়, সে স্থানটি শুধু মাত্র ইট দিয়ে বিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাই বর্ষা বা কোন সময় ন্থানটি পরিস্কার করা হয় না। তাই অনেক দুর্গন্ধ বের হয়। অনেক দুর থেকে জেলেরা আসে মাছ বিক্রি করতে তাদের জন্য রেস্ট নেওয়ার কোন জায়গা নেই এবং কি একটি টয়লেটের ব্যবস্থা পর্যন্ত নেই। 

 

মহালছড়িতে সব মিলিয়ে জেলে আছে ১৫৯১ জন। তাদের মধ্যে সরকারী বা তালিকা ভূক্ত হয়েছে ১১৬৮ জন। অনিবন্ধিত আছে ২২৩ জন। এরা সবাই মহালছড়ির সিলেটি পাড়া,চট্টগ্রাম পাড়া,নতুন পাড়া,মনাটেক,কেরেঙ্গানালা,ভাংগা মুরা এলাকায় বসবাস করে

 

জেলে আলিম উল্লাহ আক্ষেপ করে বলেন তারা মাছ ধরে বছরে লক্ষ লক্ষ টাকা সরকারকে রাজস্ব দেন। কিন্তু তাদের কোন সুযোগ সুবিধা নেই।

 

বছরে মে থেকে জুলাই তিন মাস মাছ ধরা বন্ধ থাকে সে সময়টাতে তাদের(জেলেদের) বেকার থাকতে হয়। সে সময়টাতে পাশ^বর্তী জেলা রাঙ্গামটির জেলেরা রেশন পেলেও তারা পান না। ফলে তাদের খেয়ে না খেয়ে থাকতে হয়। তিনি মাছ বন্ধকালীন সময়ে রেশনের দাবী করেন।

 

মহালছড়ি মাছ ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবুল খায়ের বলেন মহালছড়ির মৎস্য আহরন কেন্দ্রের সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন মিডিয়ায় সংবাদ প্রকাশের পর বরফ কল ,বিদ্যুৎ সমস্যাসহ অনেক গুলো সমস্যা সমাধান হয়েছে। এখন মাছ প্যাকিং করার জন্য স্থায়ী টিন সেট ঘর, প্যাকেজিং স্থানটি পাকা, নদী থেকে সেট পর্যন্ত সিড়িটি প্রস্বস্ত ও জেলে এবং ব্যবসায়ীদের জন্য একটি বিশ্রাম ঘর একটি টয়লেট নির্মান করে দেওয়ার দাবী করেন।

 

বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশনের মহালছড়ি উপকেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাসারুল্লাহ্ বলেন তারা ইতিমধ্যে জেলে ও ব্যবসায়ীদের অনেক গুলো সমস্যা সমাধান করেছেন। আর বাকী সমস্যা গুলো অচিরে সমাধানের জন্য তিনি কর্তৃপক্ষকে লিখিত ভাবে জানিয়েছেন। তিনি আশা করেন অচিরে এই উপকেন্দ্রের সকল সমস্যা সমাধান হবে। এখান থেকে দেশের সমতল জেলা ফেনী,নোয়াখালী,কুমিল্লা ও ঢাকার যোগাযোগ সুবিধা বেশি। তাই এই কেন্দ্রের জেলে ও ব্যবসায়ীদের সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধি করা হলে রাজস্ব আদায় আরো বেশি হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। কর্তৃপক্ষ এই দিকটি বিবেচনা করে কেন্দ্রটি উন্নয়নে মনোযোগী হবেন বলে জেলে ও মৎস্য ব্যবসায়ীদের প্রত্যাশা।

--হিলবিডি২৪/সম্পাদনা/সিআর.

 

এই বিভাগের সর্বশেষ
আর্কাইভ