• Hillbd newsletter page
  • Hillbd rss page
  • Hillbd twitter page
  • Hillbd facebook page
সর্বশেষ
মহালছড়িতে বৈদ্যুতিক শটসার্কিটে মসজিদ পুড়ে ছাই                    মাটিরাঙ্গার তাইন্দংবাজারে হঅগ্নিকান্ডে ২৫টি পুড়ে ছাই                    মাটিরাঙ্গার তাইন্দংবাজারে হঅগ্নিকান্ডে ২৫টি পুড়ে ছাই                    করোনার প্রভাবে রাঙামাটিতে বিপাকে সংবাদকর্মীরা                    খাগড়াছড়ির এমপি কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা’র মাতৃ বিয়োগ                    কর্মহীন মানুষের বাড়ীতে রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের ত্রাণ সামগ্রী                    জীবন সংগঠনের পক্ষ থেকে রাঙামাটিতে চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য বিভিন্ন সুরক্ষা সরঞ্জামাদি হস্থান্তর                    পাহাড়ে হাম উপদ্রুত এলাকায় জরুরী মানবিক সহায়তার আহ্বান                    রাঙামাটি জেলা পরিষদের মাস্ক ও হ্যান্ড গ্ল্যাভস্ বিতরণ                    সামাজিক দুরত্ব রক্ষার্থে ত্রান নিয়ে জনগণের দোরগোড়ায় কাপ্তাই ইউএনও                    করোনা ভাইরাস জনিত জুরাছড়িতে কর্মহীনদের বাড়ীতে খাবার পৌছে দিল ইউএনও ও জনপ্রতিনিধিরা                    সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে শহরের প্রধান সড়কে ঔষুধ মিশ্রিত পানি ছিটানো ও গরীদের শুকনো খাবার বিতরণ                    করোনা সচেতনতায় রাঙামাটি শহরের জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর টহল অব্যাহত                    কাপ্তাইয়ে অসহায় মানুষের মাঝে কাপ্তাই নৌ বাহিনীর ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ                    বাঘাইছড়িতে গুচ্ছ গ্রাম এলাকায় করোনা ভাইসরাস সন্দেহে ১২টি বাড়ীকে লক ডাউনের ঘোষনা                    রাঙামাটি শহরের বিভিন্ন এলাকায় হ্যান্ড স্যানিটাইজেশন বিতরণ ও বেসিন স্থাপন                    করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে রাঙামাটির শহরে মোবাইল কোর্টের অভিযান অব্যাহত                    করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে রাঙামাটিতে আ’লীগসহ অংগ সংগঠনের সচেতনতামূলক কর্মকান্ড                    করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে বরকল সদরে জীবাণু নাশক স্প্রে                    করোনাভাইরাস প্রতিরোধে বলাকা ক্লাবের স্প্রে, মাস্ক ও লিফলেট বিতরণ                    করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে খাগড়াছড়িতে দোকানপাট বন্ধ ও রাস্তাঘাট ফাঁকা                    
 

রাঙামাটিতে পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়নে করণীয় শীর্ষক সেমিনারে
পার্বত্যাঞ্চলে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী যেই হোক না কেন কাউকে ছাড় দেয়া হবে না-পার্বত্য মন্ত্রনালয় সচিব

স্টাফ রিপোর্টার : হিলবিডি টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published: 29 Jun 2018   Friday

পার্বত্য চট্টগ্রাম মন্ত্রনালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মোঃ নূরুল আমিন বলেছেন, সরকার বসে নেই দীর্ঘ দুই বছর তালিকা করে মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছে। তেমনি পার্বত্যাঞ্চলেও অবৈধ অস্ত্রধারী ও চাদাবাজদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করা হবে । পার্বত্যাঞ্চলে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী যেই হোক না কেন তাদের কাউকে ছাড় দেয়া হবে না।


শুক্রবার রাঙামাটিতে পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়নে করণীয় শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পার্বত্য মন্ত্রনালয়েল ভারপ্রাপ্ত সচিব এসব কথা বলেন।


পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ এর আয়োজনে রাঙামাটি পর্যটন কমপ্লেক্স মিলনায়তনে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমা’র সভাপতিত্বে সেমিনারে অতিথি ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান তরুন কান্তি ঘোষ, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত-সচিব সুদত্ত চাকমা, জেলা প্রশাসক একেএম মামুনুর রশিদ, রাঙামাটি সদর জোন কমান্ডার লেঃ কর্নেল মোহাম্মদ রেদওয়ানুল ইসলাম।

 

এছাড়া বক্তব্যে দেন আওয়ামীলীগ নেতা চিংকিউ রোয়াজা, রাঙামাটি চেম্বার অফ কমার্সের সভাপতি মোঃ বেলায়েত হোসেন, সাবেক পৌর চেয়ারম্যান, কাজী নজরুল ইসলাম,জাতীয় পার্টির জেলা শাখার সম্পাদক প্রজেস চাকমা, এনজিও কর্মী বিপ্লব চাকমা,রাঙামাটি প্রেস ক্লাবের সভাপতি সাখাওয়াত হোসন রুবেল,মোহাম্মদ সোলেয়মান, ডাঃ ভৈরব দত্ত প্রমুখ। স্বাগত বক্তব্য দেন রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা ছাদেক আহমদ।

 

সেমিনারে প্রবন্ধ পাঠ করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক আনন্দ বিকাশ চাকমা। আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন রাঙামাটি প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি সুনীল কান্তি দে, কাচালং কলেজের অধ্যক্ষ দেব প্রসাদ দেওয়ান ও রাঙামাটি পৌর মেয়র আকবর হোসেন চৌধুরী।সেমিনারে জেলা ও বিভিন্ন উপজেলার জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, প্রতিষ্ঠান প্রধান, সংবাদকর্মী, ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত থেকে পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়নে তাদের মতামত ব্যক্ত করেন।


প্রধান অতিথির বক্তব্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম মন্ত্রনালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মোঃ নূরুল আমিন আরো বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগোষ্ঠীদের প্রতি প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত আন্তরিক বলে এ অঞ্চলের প্রচুর উন্নয়ন হচ্ছে। এ অঞ্চলের কোন এলাকা পিছিয়ে থাকুক আমরা তা চাই না। সমতলের মতে পাহাড়ী এলাকা সমানতালে এগিয়ে যাক। যাতে এ অঞ্চলের সুখে শান্তিতে থাকে। এজন্য সবাইকে আন্তুরিকভাবে কাজ করতে হবে।


সভাপতির বক্তব্যে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমা অভিযোগ করে বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি অনুযায়ী জেলা পরিষদের কাছে হস্তান্তর বিভাগগুলোতে ভালভাবে কাজ করতে পারছে না। এলাকার উন্নয়নে জেলা পরিষদের সাথে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সাথে একটা সমন্বয় থাকা অত্যন্ত জরুরী। তিনি জেলা পরিষদের নির্বাচন ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও আঞ্চলিক পরিষদ সদস্যদের পদ মর্যাদা নির্ধারনের জন্য দাবী জানান।


সেমিনারে বক্তারা বলেন, পার্বত্যাঞ্চলে শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়ন করতে হলে এ অঞ্চলের সকল জনগোষ্ঠীদের সচেতনা বোধ সৃষ্টি এবং এলাকার অর্থনৈতিক উন্নয়নে শিল্পকারখানা স্থাপনের মাধ্যমে বেকার সমস্যা সমাধান করতে হবে। এছাড়া পার্বত্য আঞ্চলিক পরিষদ ও তিন পার্বত্য জেলা পরিষদকে পার্বত্য চুক্তি অনুযায়ী ক্ষমতায়নের পাশাপাশি চুক্তির সকল পক্ষকে সাথে নিয়ে নিয়মিত আলোচনায় বসে চুক্তি বাস্তবায়নে এগিয়ে যেতে হবে।

 

বক্তারা পার্বত্য চট্টগ্রামে যে সংঘাত চলছে তা বন্ধ করতে হলে আঞ্চলিক রাজনৈতিক দলগুলোকে একসাথে আলোচনা টেবিলে বসিয়ে সংঘাতের কারণ বের করে সমাধানের পথ খুজতে হবে। কারণ পার্বত্য চট্টগ্রামের সকল জনগোষ্ঠী শান্তি ও উন্নয়ন চাই বলে মতামত ব্যক্ত করেন।
--হিলবিডি২৪/সম্পাদনা/সিআর.

 

এই বিভাগের সর্বশেষ
আর্কাইভ