• Hillbd newsletter page
  • Hillbd rss page
  • Hillbd twitter page
  • Hillbd facebook page
সর্বশেষ
রাঙামাটিতে বিপুল চোরাই সেগুন কাঠ জব্দ                    আষাঢ়ী পূর্নিমার মধ্য দিয়ে রাঙামাটিতে বৌদ্ধ ভিক্ষুদের তিন মাসের বর্ষাবাস শুরু                    লেখাপড়ায় শিক্ষার্থীদের জ্ঞান অর্জনে শিক্ষার্থীদের আরো বেশী মনোযোগি হতে হবে-দীপংকর তালুকদারএমপি                    জাপানে বিশ্ব শিশু সমাবেশে যোগ দিল রাঙামাটির মেয়ে রাইন চাকমা                    বিলাইছড়িতে দুর্গত পরিবারের মাঝে চাউল বিতরণ                    রাঙামাটিতে দৈনিক যায় যায় দিনের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত                    বরকলে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে উপজেলা পরিষদের উদ্যোগে চিকিৎসা সেবাও ত্রান সামগ্রি বিতরন                    রাঙামাটি সরকারী কলেজের নবীণ বরণ ও কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা                    বিলাইছড়িতে বন্যা দুর্গতদের মাঝে জেলা পরিষদের আর্থিক সহায়তা                    চন্দ্রঘোনা ইউনিয়ন পরিষদ কেন্দ্রে আশ্রিতদের মাঝে খাবার বিতরণ                    টানা বর্ষনে বরকলে ১৮টি গ্রাম পানিতে তলিয়ে গেছে, পানি বন্দি ৩হাজারের অধিক পরিবার                    কাপ্তাই হ্রদে ভাসমান অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার                    টানা ভারী বৃষ্টিপাতে ফারুয়া বাজারসহ ৭ টি গ্রাম প্লাবিত                    মহালছড়িতে বন্যা দুর্গতদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরন করেছে সেনাবাহিনী                    টানা বর্ষনে কাপ্তাইয়ে পাহাড় ধসে নিহত ২, আহত ৪                    ‘হৃদয়ে বাঘাইছড়ি’ রাঙামাটি ইউনিটের কমিটি গঠন                    রাঙামাটিতে আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে লোকজনদের ভিড়, বাঘাইছড়িতে বন্যা অপরিবর্তিত                    বাঘাইছড়িতে বন্যার্তদের মাঝে জেলা পরিষদের আর্থিক সহায়তা প্রদান                    চন্দ্রঘোনায় শিক্ষকদের নিয়ে আরস্টেপের কর্মশালা অনুষ্ঠিত                    রাঙামাটিতে ৪৪টি বৌদ্ধ বিহারে ত্রিপিটক বিতরণ                    কাপ্তাইয়ের পাহাড় ধসে ক্ষতিগ্রস্থ তিন পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ                    
 

বরকল খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় অফিস নয় যেন গোয়াল ঘর

পুলিন বিহারী চাকমা,বরকল : হিলবিডি টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published: 23 Jun 2019   Sunday

এটি গোয়াল ঘর নাকি সরকারি   ভবন, তা চেনার উপায় নেই। কাছে গিয়ে জরাজীর্ণ ভবনের দেয়ালে ঝাপসা লেখায় ঝুলানো সাইন বোর্ড পড়লে জানা যায় এটি একটি সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর। এ জরাজীর্ণ  ভবনটি হচ্ছে রাঙামাটির বরকল উপজেলার ভারপ্রাপ্ত খাদ্য নিয়ন্ত্রকের অফিস কক্ষ। 

 

 জানা যায়,বরকল উপজেলার ভারপ্রাপ্ত খাদ্য নিয়ন্ত্রকের অফিসটি ১৯৬৪ সালে এ একতলা পাকা ভবনটি নির্মিত হয়। নির্মানের ৫৫বছর পরেও এ অফিস ভবনটি মেরামত কিংবা সংস্কার করা হয়নি। বর্তমানে ভবনটির দেয়াল গুলো ছত্রাকে আক্রান্ত করে কালো রঙের হয়ে গেছে। দেয়ালের রং ও প্লাষ্টার খসে পড়ছে। ভবনের ছাঁদ নানা ধরনের ঘাস গুল্ম ও ঝোঁপ জঙ্গলে পরিপুর্ন হয়ে গেছে। ভবনের চারি পাশে অসংখ্য ফাটলের সৃষ্টি হয়েছে। যা ভবনের ভিতরে থাকা বা অফিসের দাপ্তরিক কর্মকান্ড করা সম্ভব নয়। অফিস ভবনে দাপ্তরিক কর্মকান্ড যেমনি করার পরিবেশ নেই তেমনি থাকার ও কোন ব্যবস্থা না থাকায় চরম বিপাকে করেছে খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তা কর্মচারীরা। যার কারনে উপজেলা খাদ্য বিভাগের দুজন নৈশ প্রহরী পদের কর্মচারী কর্মস্থলে উপস্থিত থাকলেও  বাকী কর্মকর্তা কর্মচারীরা মাসে দু একবার কর্মস্থলে আসেন। বাকী দিন গুলো জেলা সদরে বসে দাপ্তরিক কর্মকান্ডের কাজ গুলো ছাড়েন। ফলে এ জন গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরটির সমস্যা দেখারও কেউ নেই।

 

এ ব্যাপারে খাদ্য বিভাগের জরাজীর্ণ অফিস ঘরের নানা সমস্যার কথা স্বীকার করে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মন্টু মনি চাকমা জানান- ১৯৬৪ সালে খাদ্য বিভাগের অফিস ভবনটি নির্মাণ করা হয়। দীর্ঘ ৫৫বছরেও এ অফিস ভবনটি মেরামত সংস্কার কিংবা পূনঃ নির্মানের উদ্যোগ নেয়নি সংশ্লিষ্ট খাদ্য বিভাগ। ফলে জরাজীর্ণ অফিস ভবনটি যেন গোয়াল ঘরে পরিণত হয়েছে। এতে অফিসে বসে যেমনি কাজ করা যাচ্ছেনা তেমনি থাকার ও ব্যবস্থা নেই। জেলা সদর থেকে উপজেলা সদরে এসে কাজ সেরে আবার বাড়িতে ফিরতে হয়। এতে কর্মকর্তা কর্মচারীদের আর্থিক মানসিক ও শারিরীক ভাবে ক্ষতি গ্রস্থ হতে হচ্ছে বলে তিনি জানান। 

 

এতো দীর্ঘ সময় ধরে উপজেলার এ খাদ্য বিভাগের অফিস ঘরটি সংস্কার বা পূনঃ নিমার্ণ কেন করা হয়নি জানতে চাইলে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সুমাইয়া নাজনীন জানান- বরকল খাদ্য বিভাগের অফিস কক্ষটি সহ জেলার আরো কয়েকটি খাদ্য অফিসের করুন অবস্থার কথা লিখিত ভাবে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে দেয়া হয়েছে। এ ছাড়া ও প্রতিমাসে জেলার সমন্বয় মিটিংয়ে বার বার উত্থাপন করা হয়। কিন্তু বরাদ্দ না আসায় নতুন করে নির্মান করা যাচ্ছেনা। খাদ্য বিভাগের ভবন এলজিইডি গন পূর্ত বিভাগ সহ অন্য কোন সরকারি দপ্তর থেকে নির্মাণ করার কোন সুযোগ নেই। শুধু মাত্র সংশ্লিষ্ট খাদ্য বিভাগের পরিদর্শন উন্নয়ন ও পরীক্ষণ প্রকল্পের আওতায় সংশ্লিষ্ট খাদ্য বিভাগের উন্নয়ন কাজ করা হয়। বর্তমানে এ প্রকল্পের আওতায় অন্য বিভাগে কাজ চলছে। চট্টগ্রাম বিভাগের জন্য বরাদ্দ আসলে রাঙামাটির উপজেলার জরাজীর্ণ ভবন গুলোর কাজ করা হবে বলে ওই কর্মকর্তা জানান।

--হিলবিডি২৪/সম্পাদনা/সিআর.

 

 

এই বিভাগের সর্বশেষ
আর্কাইভ