• Hillbd newsletter page
  • Hillbd rss page
  • Hillbd twitter page
  • Hillbd facebook page
সর্বশেষ
পার্বত্যাঞ্চলে শান্তি শৃংখলা ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনে র‌্যাবসহ আরো বেশি পুলিশ মোতায়েন করা হবে-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী                    পার্বত্য শান্তি চুক্তির আলোকে জেলা পরিষদগুলোর কাছে বিভিন্ন সরকারি সংস্থা হস্তান্তর করা হয়েছে-পার্বত্যমন্ত্রী                    চস্পানন চাকমা খাগড়াছড়ি জেলার শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক নির্বাচিত                    পার্বত্যাঞ্চলকে দুনীর্তি মুক্ত করার লক্ষে দুর্নীতি বিরোধী সভা অনুষ্ঠিত                    চম্পানন চাকমা খাগড়াছড়ি জেলায় শ্রেষ্ঠ শ্রেণিশিক্ষক নির্বাচিত                    সভাপতি পদে দীপংকর ও সাধারন সম্পাদক মূছা পূনরায় নির্বাচিত                    পদ্মা সেতুর ব্যায় নিয়ে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল অন্ধকারে ঢিল ছুড়ছেন-ওবায়দুল কাদের                    জমে উঠেছে দাদা-দাদা,বদ্দা-বদ্দা খেলা                    আন্তর্জাতিক জীববৈচিত্র্য দিবস উদযাপন                    জেলা বিএনপির বিরুদ্ধে উপজেলা কমিটি গঠনে অনিয়মের অভিযোগ                    সরকার পার্বত্য চুক্তি বাস্তবায়ন করবে কি, করবে না জুম্মগণ জানতে চাই-সন্তু লারমা                    ৩৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলে চট্টগ্রামে বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের র‌্যালী ও সমাবেশ                    বাঘাইছড়ি পৌরসভার নির্বাচনে মেয়র পদে এক স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়ন পত্র বাতিল                    পিসিপি’র ৩৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সাজেকে আলোচনা সভা                    লেকার্স পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজে সেনাবাহিনীতে যোগদানে উদ্বুদ্ধকরণ বিষয়ক সেমিনার                    খাগড়াছড়িতে উপজেলা পর্যায়ে চম্পানন চাকমা শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক নির্বাচিত                    রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের মাসিক সভা অনুষ্ঠিত                    বাঘাইছড়ি পৌরসভার নির্বাচনে মেয়র পদে ৩ ও কাউন্সিল পদে ৩২ জন মনোনয়ন পত্র দাখিল                    আগামী ২০ মে থেকে দুদিনের সফরে পর্যটন সাজেক যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি                    ও উদ্ভাবন কৌশল কর্ম-পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন” শীর্ষক প্রশিক্ষণ                    রাঙামাটিতে ছাত্র ইউনিয়নের নেতৃত্বে রনি ও নিউটন                    
 
ads

আদিবাসী নারীর প্রতি সহিংসতা: ফলাফল ও আইনি সহায়তা’ শীর্ষক গবেষণার উপর আলোচনা সভায়
বিচারহীনতা সংস্কৃতির কারণে আদিবাসী নারীদের প্রতি ক্রমাগত নির্যাতন বৃদ্ধির অন্যতম কারণ

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : হিলবিডি টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published: 29 Mar 2022   Tuesday

মঙ্গলবার ঢাকায় বাংলাদেশে আদিবাসী নারীর প্রতি সহিংসতা: কারণ, ফলাফল ও আইনি সহায়তা শীর্ষক গবেষণার ফলাফল নিয়ে  এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। 


ডেইলি স্টার আজিমুর রহমান কনফারেন্স হলে মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ আদিবাসী নারী নেটওয়ার্ক ও কাপেং ফাউন্ডেশন  এর যৌথ উদ্যোগে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান। মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনাম এর সভাপতিত্বে সম্মানিত অতিথি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম, বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক সঞ্জীব দ্রং, প্রথম আলোর যুগ্ম সম্পাদক ও লেখক সোহরাব হাসান, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের উপ-পরিচালক গাজী সালাহউদ্দিন ছাড়াও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন, কাপেং ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক পল্লব চাকমা। সভা সঞ্চালনা করেন মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা জাহেদ হাসান।


মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন অজয় এ মৃ, চঞ্চনা চাকমা, নমিতা চাকমা, সাবিত্রী হেমব্রম, নিও প্রু মারমা, লালসা চাকমা, বিচিত্রা তির্কী, হরেন্দ্র নাথ সিং,  পলাশ পাহান ও নিশি ত্রিপুরা প্রমুখ।


গবেষণার প্রতিবেদন  বলা হয়, অন্যান্য জেলার তুলনায় তিন পার্বত্য চট্টগ্রামের মধ্যে  গেল ১০ বছরে পার্বত্য চট্টগ্রামে আদিবাসী নারীর প্রতি সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে সবচেয়ে বেশি এবং আদিবাসী জনগোষ্ঠীর মধ্যে চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, সাঁওতাল ও গারো নারীরা সহিংসতার শিকার হয়েছে বেশি। প্রতিবেদনে বিচারহীনতার কারণে অপরাধীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হওয়ার কারণে অপরাধীরা একই ঘটনা বারবার ঘটানোর সাহস পায় উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া সচেতনতার অভাব, ভাষাগত সমস্যা, অর্থনৈতিক সমস্যা, নিরাপত্তাহীনতা, রাজনৈতিক চাপ প্রভৃতি কারণে ঘটনার শিকার নারী বা কন্যাশিশু ন্যায়বিচার প্রাপ্তির ক্ষেত্রে বাধাগ্রস্থ হয় বলে প্রকিবেদনে বলা হয়েছে।

 

প্রতিবেদনে তিনটি সুপারিশের মধ্যে রয়েছে ভিক্টিমকে সাপোর্ট করা সেটি পরামর্শ থেকে পূর্নবাসনের ব্যবস্থা পর্যন্ত হতে হবে, আইনি সহায়তা প্রদান করা এবং সবশেষে প্রতিরোধ হিসেবে প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে প্রান্তিক পর্যায়ে সচেতনতা তৈরি করা।


প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান বলেন, বাংলাদেশের আদিবাসীদের এখনো সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃতি হয়নি। সে জায়গায় এ ধরনের গবেষণা ভবিষ্যতে আইন প্রণেতা ও শিক্ষাবিদদের কাজে লাগবে। এই প্রতিবেদনটি বলছে বিচারহীনতা সংস্কৃতির কারণে আদিবাসী নারীরা কী নাজুক অবস্থায় আছে। তিনি আরো বলেন, আমাদের কন্ঠস্বর যেন প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে যেন পৌঁছুতে পারে, সেজন্যে আমাদের আরও কাজ করা দরকার। সেই সাথে আদিবাসীদের প্রতি তাদের জীবনধারার প্রতি আমাদের যে নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি সেটিও আমাদের পরিবর্তন করতে হবে। কোয়ালিশনের মাধ্যমে সবার সাথে সেতুবন্ধন তৈরি করতে হবে।


ড.সাদেকা হালিম বলেন, মনস্তাত্বিকভাবে ভিক্টিম ব্রেমিং বা ঘটনার শিকার নারীকে দোষারোপ করা আমাদের খুব সহজাত বৈশিষ্ট্য। এ থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে। আদিবাসী নারীরা নারী হওয়ার কারণে ও প্রান্তিকতার কারণেও আদিবাসী নারীরা বৈষম্যর শিকার হয় বলে তিনি উল্লেখ করেন।


আদিবাসী নেতা সঞ্জীব দ্রং বলেন, আদিবাসী নারীদের প্রতি দিন দিন নির্যাতন বেড়ে চলেছে। বাংলাদেশে অনেক ভাল ভাল আইন আছে কিন্তু বাস্তবে এগুলো প্রয়োগের ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। এছাড়া তিনি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামসহ সারাদেশে আদিবাসী নারীর উপর সহিংসতার মাত্রা তুলনামূলকভাবে বেড়ে চলেছে। এর থেকে পরিত্রাণের জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট সকলকে একসাথে আন্দোলন করার জন্য আহŸান জানান এবং সমস্যায় পড়লে আইনি সহয়তা প্রাপ্তির পন্থাগুলোও আমাদের জানতে হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।


প্রথম আলোর যুগ্ম সম্পাদক বলেন, রাষ্ট্র নারীবান্ধব নয়। আদিবাসী নারীর প্রতি যে সহিংসতা সেটা মূলত সম্পদ দখল করার জন্য শেষ অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাইরের দেশের মানুষের মানবাধিকার লংঘন হলে আমরা সেটা নিয়ে কথা বলি কিন্তু আমার দেশের প্রান্তিক মানুষেরা, আদিবাসীরা যে নির্যাতনের শিকার হয় তাতে আমরা নিশ্চুপ থাকি। তিনি ক্ষমতার দৌরাত্ম বন্ধ করার জন্য রাষ্ট্রের কাছে আবেদন জানান সেই সাথে নারীর প্রতি সহিংসতার ক্ষেত্রে দ্রুত বিচার সম্পন্ন করতে হবে বলে মন্তব্য প্রকাশ করেন।


শুভেচ্ছা বক্তব্যে মানুষের ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনাম বলেন, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন দীর্ঘদিন আদিবাসীদের নিয়ে কাজ করছে। কাপেং ফাউন্ডেশন ও আদিবাসী নারী নেটওয়ার্কের সাথে এই গবেষণাটিও সেই কাজেরই অংশ। এই গবেষণার ফলাফল যা-ই হোক না কেন, এটা আমাদের মনে রাখতে হবে এটি রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে নয় বরং রাষ্ট্রকে সহযোগিতার জন্য এটি সবার সাথে তথ্য বিনিময় হচ্ছে।

 

তিনি আরো বলেন, কেউ-ই নিরাপদ নয়, সেখানে আদিবাসী নারীরা আরো বেশি সহিংসতার শিকার হচ্ছে। মূলত ন্যায় বিচার পাওয়ার আইনি প্রক্রিয়াটাই নারী বান্ধব নয়, ফলে আদিবাসী বা প্রান্তিক নারী আরো বৈষম্যের শিকার হয়।
--প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

ads
ads
এই বিভাগের সর্বশেষ
আর্কাইভ