• Hillbd newsletter page
  • Hillbd rss page
  • Hillbd twitter page
  • Hillbd facebook page
সর্বশেষ
সভাপতি পদে দীপংকর ও সাধারন সম্পাদক মূছা পূনরায় নির্বাচিত                    পদ্মা সেতুর ব্যায় নিয়ে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল অন্ধকারে ঢিল ছুড়ছেন-ওবায়দুল কাদের                    জমে উঠেছে দাদা-দাদা,বদ্দা-বদ্দা খেলা                    আন্তর্জাতিক জীববৈচিত্র্য দিবস উদযাপন                    জেলা বিএনপির বিরুদ্ধে উপজেলা কমিটি গঠনে অনিয়মের অভিযোগ                    সরকার পার্বত্য চুক্তি বাস্তবায়ন করবে কি, করবে না জুম্মগণ জানতে চাই-সন্তু লারমা                    ৩৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলে চট্টগ্রামে বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের র‌্যালী ও সমাবেশ                    বাঘাইছড়ি পৌরসভার নির্বাচনে মেয়র পদে এক স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়ন পত্র বাতিল                    পিসিপি’র ৩৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সাজেকে আলোচনা সভা                    লেকার্স পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজে সেনাবাহিনীতে যোগদানে উদ্বুদ্ধকরণ বিষয়ক সেমিনার                    খাগড়াছড়িতে উপজেলা পর্যায়ে চম্পানন চাকমা শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক নির্বাচিত                    রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের মাসিক সভা অনুষ্ঠিত                    বাঘাইছড়ি পৌরসভার নির্বাচনে মেয়র পদে ৩ ও কাউন্সিল পদে ৩২ জন মনোনয়ন পত্র দাখিল                    আগামী ২০ মে থেকে দুদিনের সফরে পর্যটন সাজেক যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি                    ও উদ্ভাবন কৌশল কর্ম-পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন” শীর্ষক প্রশিক্ষণ                    রাঙামাটিতে ছাত্র ইউনিয়নের নেতৃত্বে রনি ও নিউটন                    কাপ্তাইয়ে অনুর্ধ্ব-১৭ বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন                    রাঙামাটি রাজ বন বিহারে বুদ্ধ পূনির্মা উদযাপিত                    রাঙামাটিতে ‘পার্বত্য সাংবাদিক ইউনিয়ন’ এর আত্ম প্রকাশ                    বিলাইছড়িতে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন                    বিলাইছড়িতে আনসার ও ভিডিপি`র উপজেলা সমাবেশ                    
 
ads

অবিসংবাদিত নেতা এমএন লারমার আজ ৩৭ তম মৃত্যু বার্ষিকী

বিশেষ রিপোর্টার : হিলবিডি টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published: 10 Nov 2020   Tuesday

পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক সংসদ শহীদ মানবেন্দ্র নারায়ন লারমার(এমএন লারমা) আজ মঙ্গলবার(১০ নভেম্বর)  ৩৭ তম মৃত্যু বার্ষিকী।

 

১৯৮৩ সালের ১০ নভেম্বর বিভেদপন্থীরা হামলা চালালে এমএন লারমাসহ তার আটজন সহযোগীসহ শহীদ হন। তিনি মৃত্যুর আগ পর্ষন্ত  পার্বত্য চট্টগ্রামের দশ ভাষাভাষি ১৩টি আদিবাসী জাতিসত্বাদের আত্ননিয়ন্ত্রাধিকার আদায়ের জন্য সংগ্রাম  করে গেছেন।

 

এমএন লারমা ১৯৩৯ সালে ১৫ সেপ্টেম্বর রাঙামাটি শহর থেকে ১২ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত মহাপ্রুম নামক স্থানে(বর্তমানে কাপ্তাই বাধের কারণে বিলুপ্ত) জন্ম গ্রহণ করেন। পিতা চিত্ত কিশোর লারমা, মাতা শুভাষিনী দেওয়ান। এমএন লারমার তিন ভাই ও এক বোন। সবার বড় জ্যোতি প্রভা লারমা(মিনু) ছিলেন একজন সমাজকর্মী। বড় ভাই শুভেন্দু লারমা(বুলু) ছিলেন একজন সক্রিয় রাজনৈতিক কর্মী, দক্ষ সংগঠক ও বিপ্লবী। সব চেয়ে ছোট ভাই বর্তমানে পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ চেয়ারম্যান ও জনসংহতি সমিতির সভাপতি জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা(সন্তু লারমা)।

 

 শহীদ এমএন লারমা ১৯৫৮ সালে রাঙ্গামাটি সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ম্যাট্রিক, চট্টগ্রাম সরকারী কলেজ থেকে ১৯৬০ সালে আইএ পাস এবং একই কলেজ থেকে ১৯৬৫ সালে ১৮ জুন তিনি পার্বত্য ছাত্র সমিতি নামে একটি সংগঠন গঠন করেন এবং সর্ব প্রথম পাহাড়ি ছাত্র সন্মেলনে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হন।

 

১৯৬০ সাল আদিবাসী জনগণের জন্য এলো এক বিভাষিকাময় বছর। সে সময় তৎকালীন পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে কাপ্তাই জল বিদ্যূৎ প্রকল্প বিরোধী আন্দোলন গড়ে তোলেন। পাকিস্তান সরকার ১৯৬৩ সালে ১৫ ফের্রুয়ারী রাষ্ট্রদ্রোহিতা অভিযোগ এনে তাঁকে গ্রেফতার করে এবং প্রায় দু বছর জেলে রাখার পর ১৯৬৫ সালে তাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়।

 

১৯৭০ সালে এমএন লারমা কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য হন এবং একই বছর পাকিস্তান প্রদেশিক পরিষদে বিপুল ভোটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৭২ সালে ১৫ ফের্রুয়ারী পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি গঠিত হয় এবং তিনি সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হন। পরে তিনি সমিতির সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৭৩ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে বিপুল ভোটে জয়ী হন। ১৯৭৪ সালে পার্লামেন্টারি প্রতিনিধি দলের সদস্য হিসেবে তিনি লন্ডন সফর করেন। আদিবাসী জনগনের  আত্ননিয়ন্ত্রাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য প্রথম থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি নিয়মতান্ত্রিকভাবে আন্দোলন পরিচালনা করে আসছিল। কিন্তু ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর তৎকালীন সময়ে সার্বিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন থেকে সরে গিয়ে আত্নগোপণ করেন এমএন লারমা এবং তিনি পার্বত্য চট্টগ্রাম আদিবাসী জনগণের আত্ননিয়ন্ত্রাধিকার আদায়ের লক্ষে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির সামরিক উইনিং ‘শান্তিবাহিনী, নামে সশস্ত্র আন্দোলন শুরু করেন।

 

১৯৭৬ সালের দিকে পার্বত্য চট্টগ্রমে ‘শান্তি বাহিনীর, সামরিক তৎপরতা শুরু হয়। সামরিক তৎপরতা দ্রুত সম্প্রসারিত হয় যা ১৯৮০ সালের দিকে বেশী জোরালো হয়ে উঠে। এর পর ১৯৮২ সালে ২৪ জুন জনসংহতি সমিতির দ্বিতীয় কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়। এ সন্মেলনের পর আদর্শগত ও কৌশলগত দৃষ্টিভঙ্গির পার্থক্যের কারণে জনসংহতি সমিতি শেষ পর্ষন্ত দ্বিধাবিভক্ত হয় এবং ১৯৮৩ সালের ১৪ জুন সর্ব প্রথম লারমা গ্রুপ (লম্বা)ও প্রীতি গ্রুপ (বাদি) পরস্পর সশস্ত্র যুদ্ধে লিপ্ত হয়। ১৯৮৩ সালে ১০ নভেম্বর বিভেদপন্থীরা হামলা চালালে এমএন লারমাকে তার আটজন সহযোগীসহ শহীদ হন।

 

এদিকে মঙ্গলবার রাঙামাটিতে এমএন লারমার ৩৭ তম মৃত্য বার্ষিকী উপলক্ষে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি স্মরণ সভার আয়োজন করেছে।  
–হিলবিডি২৪/সম্পাদনা/সিআর.

ads
ads
এই বিভাগের সর্বশেষ
আর্কাইভ