• Hillbd newsletter page
  • Hillbd rss page
  • Hillbd twitter page
  • Hillbd facebook page
সর্বশেষ
সারাদেশে অব্যাহত ধর্ষণের ঘটনায় এইচডব্লিউএফের উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ                    রাঙামাটিতে আন্তর্জাতিক জীববৈচিত্র্য দিবস পালিত                    রাঙামাটি আইনজীবী সমিতির সভাপতি শাহ আলম ও সম্পাদক শিশুমনি চাকমা নির্বাচিত                    বাঘাইছড়িতে প্রত্যান্ত এলাকা থেকে হাম লক্ষণ নিয়ে এক শিশু হাসপাতালে ভর্তি                    রাঙামাটি ছাত্রদলের কমিটি বাতিলের দাবিতে দলীয় কার্যালয়ে তালা দিলো পদ বঞ্চিতরা                    পিসিপির নেতৃত্বে জিকো ও অন্তর চাকমা                    পার্বত্য সমস্যাকে হালকাভাবে না দেখে গুরুত্বের সহকারে দেখার জন্য আহ্বান উষাতন তালুকদারের                    Expression of Interest(EOI) ASHIKA                    আশিকা বিজ্ঞাপণ                    পাহাড়ে নারীদের অধিকার ও ক্ষমতায়নে লড়াই করছেন সূচরিতা চাকমা                    Request for Quotation (RFQ)                    Hill Flower Vacancy Announcement                    Request for Quotation (RFQ)                    হিলফ্লাওয়ার                    আশিকা টেন্ডার বিজ্ঞপ্তি                    বিলাইছড়িতে অগ্নিকাণ্ডে ৩টি ঘর পুড়ে ছাই                    Request For Quotation Notice                    ফারুয়া উচ্চ বিদ্যালয় পরিদর্শনে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান                    ফারুয়া থানা পরিদর্শন করলেন পুলিশ সুপার                    Vendor Enlistment Notice                    জেলা পর্যায়ে আঞ্চলিক পরিষদ ও সরকারি কর্মকর্তাদের সাথে সমন্বয় সভা                    
 
ads

বান্দরবানে তিন দিন ব্যাপী ঐতিহ্যবাহী রাজপূণ্যাহ মেলা শুরু

বিশেষ প্রতিনিধি,বান্দরবান : হিলবিডি টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published: 21 Dec 2016   Wednesday

বুধবার থেকে বান্দরবানে তিন দিন ব্যাপী ১৩৯ তম রাজপূণ্যাহ মেলা শুরু হয়েছে।

 

ঐতিহ্যবাহী বোমাং রাজার মাঠে অনুষ্ঠিত রাজপূন্যাহ মেলার উদ্ধোধন করেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

 

১৭তম রাজা বোমাংগ্রী উ চ প্রু, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি, আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামউদ্দিন এমপি, সেনাবাহিনীর চট্টগ্রাম এরিয়ার মেজর জেনারেল মো: জাহাঙ্গীর কবির তালুকদার, বান্দরবান জোন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ যুবায়ের সালেহীন, চট্টগ্রাম রেঞ্জের পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি মো: সাখাওয়াত হোসেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ সদস্য স্নেহ কুমার চাকমা, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ক্য শৈ হ্লা, রাঙ্গামাটির বৃষকেতু চাকমা, খাগড়াছড়ির কংজরী চৌধুরী, জেলা প্রশাসক দিলীপ কুমার বণিক, পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায়। এছাড়া আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী, প্রশাসনের কর্মকর্তা, হেডম্যান (মৌজা প্রধান), কার্বারীসহ (পাড়া প্রধান) অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

 

এর আগে দুপুরের দিকে রাজ দরবার থেকে রাজার পাইক, পেয়াদা ও সৈন্যসহকারে আগত অতিথিদের নিয়ে ১৭তম রাজা বোমাংগ্রী উ চ প্রু মঞ্চে আগমন করেন। সেখানে বোমাং রাজাকে ফুল ছিটিয়ে অভ্যর্থনা জানানো হয়। পরে রাজকীয় অনাড়ম্বর এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে খাজনা আদায় অনুষ্ঠান শুরু হয়। দূর-দুরান্ত থেকে আসা পাহাড়িদের হাতে বিভিন্ন ধরণের উপঢৌকন। কারো হাতে দেশী মোরগ, কারো হাতে বিনি চালের পিঠা। আবার কারো হাতে দেশীয় তৈরি চোলাই মদ। এতসব উপঢৌকন লোকেরা এনেছেন রাজাকে উদ্দেশ্য করে।

 

এসময় বোমাং রাজার মাঠে তখন হাজারো মানুষের ভিড়ের সমাগম ঘটে। দেশি-বিদেশী পর্যটক ছাড়াও স্থানীয় লোকেরা ভিড় জমিয়েছেন রাজ খাজনা আদায় অনুষ্ঠান দেখতে। অনুষ্ঠানটি দেশি-বিদেশী পর্যটক ও স্থানীয়দের উপস্থিতি মিলন মেলায় পরিণত হয়েছে। এ রাজ পুর্ন্যামেলা আগামী ২৩ ডিসেম্বর পর্ষন্ত চলবে।

 

এদিকে রাজপূণ্যাহ মেলাকে ঘিরে বসেছে বাহারী রকমের দোকান, নাগরদোলা, মৃত্যুকূপ, পুতুল নাচ, যাত্রা, সার্কাস।

 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, তিন পার্বত্য জেলার মতো সৌন্দর্য্য দেশের আর কোথাও নেই। আজ ও কাল হোক এই সৌন্দর্য্যকে কাজে লাগাতে হবে। পার্বত্য অঞ্চলে যে ট্রাডিশন রয়েছে তা বাঁচিয়ে রাখতে হবে। এই অঞ্চলে যে ভূমিকর প্রথা চালু আছে, তা চলমান থাকবে।

 

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং বলেন, আজকের এই অনুষ্ঠানে হাজারো মানুষের সমাগম ঘটেছে। পার্বত্য শান্তি চুক্তির আগে এমন সমাগম কল্পনা করা যায় না। এই সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ সমাগম ঘটার পেছনে আছে জননেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র অবদান। তিনি চেয়েছেন বলেই পাহাড়ে শান্তি বইছে। 

 

সভাপতি বক্তব্যে বোমাং রাজা উ চ প্রু বলেন, এই অঞ্চলে পাহাড়ি-বাঙ্গালী সবাই শান্তি-সম্প্রীতিতে বসবাস করতে হবে। শান্তির জন্য যা যা করা দরকার সবকিছু করা হবে। তিনি আরো বলেন, বিদেশের বিভিন্ন জায়গায় ঘুরেছি, এদেশের মতো মাটি কোথাও দেখিনি। ১২ মাস উৎপাদন হয়, চাষ করা যায়। এছাড়া তিনি আগত অতিথিদের শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

 

উল্লেখ্য, প্রায় ১৭৬৪ বর্গমাইল এলাকার বান্দরবানের ৯৫টি, রাঙামাটির রাজস্থলি ও কাপ্তাই উপজেলার ১৪টি মৌজা নিয়ে বান্দরবান বোমাং সার্কেল। রাজপূণ্যাহ অনুষ্ঠান প্রবর্তিত হয় ১৮৭৫ সালে। বোমাং সার্কেলের নবম রাজা সাক হৃ ঞো এর প্রবর্তন করেন। সেই থেকে বোমাং সার্কেলে ধারাবাহিকভাবে রাজপূণ্যাহ অনুষ্ঠানের আয়োজন হয়ে আসছে। বছরের একটি দিনে রাজ কোষাগারে খাজনা আদায়কে কেন্দ্র করে বসে রাজপূণ্যাহ মেলা।

--হিলবিডি২৪/সম্পাদনা/সিআর.

ads
ads
এই বিভাগের সর্বশেষ
আর্কাইভ