“ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি হোক সম্প্রীতির বন্ধন”এই শ্লোগানকে সামনে রেখে মঙ্গলবার কাপ্তাইয়ের তনচংগ্যা সম্প্রদায়ের উদ্যোগে
মঙ্গলবার থেকে পাহাড়ের তিন দিন ব্যাপী ঐতিহ্যবাহী প্রধান সামাজিক উৎসব বিজু, সাংগ্রাই, বৈসুক, বিষু, বিহু উৎসব শুরু হয়েছে।
পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত পাহাড়ী সম্প্রদায়ের প্রধান সামাজিক উৎসব বিজু-সাংগ্রাই-বৈসুক-বিহু-এর উৎসবের আমেজ বইছে।
পাহাড়ীদের ঐতিহ্যবাহী সামাজিক উৎসব বিজু-সাংগ্রাই-বৈসুক-বিষূ-বিহু এবং বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে সোমবার রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে গরীব
সোমবার জুরাছড়ি উপজেলায় ভোক্তা অধিকার বিষয়ক সেমিনারের আয়োজন করা হয়।
বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য কাপ্তাই ছাত্রলীগের তিন নেতাকে সংবর্ধনা দিয়েছে রাঙামাটি জেলা ছাত্রলীগ।
পাহাড়ী সম্প্রদায়ের প্রধান সামাজিক উৎসব বিজু-সাংগ্রাইং-বৈসুক-বিষু,বিহু, সাংক্রাইন উপলক্ষে রাঙামাটির কাউখালীতে বনার্ঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়।
২৯৯নং আসনের সাংসদ ঊষাতন তালুকদার বলেছেন, ঐতিহ্যবাহী বিজু-সাংগ্রাইং-বৈসুক-বিষু,বিহু, সাংক্রাইন-এ উৎসবটি যুগ যুগ ধরে পালিত হয়ে আসছে আনন্দ করার জন্য।
পার্বত্য চট্টগ্রামের আদিবাসী জুম্মদের ঐতিহ্যবাহী সর্ববৃহৎ সামাজিক উৎসব বিজু, সাংগ্রাইং, বৈসুক, বিষু, বিহু, সাংক্রাই, সাংক্রান।
পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ চেয়ারম্যান জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লালমা(সন্তু লারমা) পার্বত্য চট্টগ্রামে ১৪ ভাষাভাষি জুম্ম জনগোষ্ঠীদের রাজনৈতিক ও শাসনতান্দ্রিক অধিকারসহ