• Hillbd newsletter page
  • Hillbd rss page
  • Hillbd twitter page
  • Hillbd facebook page
সর্বশেষ
পার্বত্যাঞ্চলের ৪২ হাজার ৭৯১ শিশুকে পুষ্টি সহায়তা দেবে হেলেনকেলার                    বিলাইছড়িতে আশিকার ভূমি ধস ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের কার্যক্রমের অবহিতকরণ সভা                    সাজেকে আটকে থাকা ৫৬১ জন পর্যটকের মধ্যে ১৫০জন খাগড়াছড়ি পৌছেছেন                    ভারী বর্ষনে রাঙামাটিতে ১২৬টি স্থানে পাহাড় ধস                    রাঙামাটি সদর ও বিলািইছড়িতে পানিতে ভেসে গিয়ে দুই ব্যক্তির মৃত্যু                    টানা বৃষ্টিপাতে রাঙামাটিতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, বিভিন্ন স্থানে পাহাড় ধস                    টানা বৃষ্টিতে সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় সাজেকে আটকে পড়েছেন ৬০০ পর্যটক                    বিলাইছড়িতে ভারী বৃষ্টিপাতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত                    ভারী বর্ষনে পর্যটক ও জনসাধারণের জন্য সাজেক পর্যটন বন্ধ ঘোষনা                    টানা ভারী বৃষ্টিপাতে রাঙামাটির জনজীবন বিপর্যস্ত, কয়েকটি স্থানে পাহাড় ধস                    অতি বৃষ্টিপাতে বাঘাইছড়িতে পাহাড় থেকে গাছের গোড়া পড়ে একজনের মৃত্যূ                    রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান বৃষকেতুসহ গ্রেফতার ২                    পার্বত্য ভিক্ষু সংঘের উপসংঘরাজ শ্রদ্ধালংকার মহাথেরোর ৭৫ তম জন্মদিন পালিত                    ২৮ জুন রাঙামাটিতে ৮৫ হাজার ৮০৭জন শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে                    রাঙামাটিতে চাঞ্চল্যকর গৃহবধু হত্যা ও অর্থ লুটের ঘটনায় দুই আসামি গ্রেফতার                    হতাশা নিরসনে পার্বত্য মন্ত্রণালয়ে আস্থাভাজন আদিবাসীকে মন্ত্রী নিয়োগের দাবি                    বিলাইছড়িতে সিসিএইচপি প্রকল্পের স্টেকহোল্ডারদের নিয়ে সমন্বয় সভা                    বিলাইছড়ি কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান                    পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী হেলাল উদ্দিনের অপসারণের দাবিতে রাঙামাটিতে মানবন্ধন                    নানিয়ারচরে জাম পাড়তে গিয়ে বিদ্যুতায়িত হয়ে এক শিক্ষিকার মৃত্যু                    রাজস্থলীতে মদ ভেবে বিষপানে এক যুবকের মৃত্যু                    
 
ads

বিজু-সাংগ্রাই-বৈসুক-বিহু-এর ঘিরে পাহাড়ে উৎসবের আমেজ বইছে

নূতন ধন চাকমা, পানছড়ি : হিলবিডি টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published: 11 Apr 2016   Monday

পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত পাহাড়ী সম্প্রদায়ের প্রধান সামাজিক উৎসব বিজু-সাংগ্রাই-বৈসুক-বিহু-এর উৎসবের আমেজ বইছে। ধনী-গরীব সবাই মিলে এ তিন দিনের আনন্দে মেটে উঠে থাকেন পাহাড়ীরা।

 

চৈত্র মাস আসতে না আসতেই পাহাড়ীদের আগাম বার্তা নিয়ে হাজির হয় “বিঝু পাখি”। সেই বিঝু পাখিটি পার্বত্য চট্টগামে সবুজ পাহাড়ে গাছ-গাছারিতে বসে মধুর সুরে ডাকে “বিঝু এজোক” “বিঝু এজোক” করে। এ পাখির ডাক শুনলেই  পাহাড়ীরা বিজু-সাংগ্রাই-বৈসুক-বিহু-এর প্রস্তুতি নিতে শুরু করে।

 

এ উৎসবকে  চাকমারা বিজু, ত্রিপুরারা বৈসুক, মার্মারাই বলে অভিহিত করে থাকে। তবে সব সম্প্রদায়ের উৎসব উদষাপনের রীতি প্রায় একই। বাংলা বছর শেষের দু’দিন আর বাংলা নতুন বছরের প্রথম দিনকে নিয়ে পাহাড়ীরা এ উৎসব পালন করে থাকে। তাই এ উৎসবকে বলা যায় ঐক্য সাম্য আর সংহতির উৎসব।

 

পাহাড়ীদের বিভিন্ন সম্প্রদাযের উৎসবের যেমন ভিন্ন  ভিন্ন নাম রয়েছে তেমনি  উৎসবের তিনটি দিনের নামও আলাদা। চাকমাদের প্রথম দিনকে ফুল বিঝু, দ্বিতীয় দিনকে মূল বিঝু, তৃতীয় দিনকে গজ্জ্যে-পজ্জ্যো দিন, মার্মাদের সাংগ্রাই আকনিয়াহ, সাঙগ্রাই আক্রাইনিহ, লাছাইংতার।  ত্রিপুরাদের হারি বৈসুক, বিসুমা , বিসিকাতাল দিন বলে ।  নামে ভিন্ন্ হলেও উদষাপন একই সকল সম্প্রদায়ের মধ্যে। 

 

উৎসবের প্রথম দিন ফুল বিজু। এ দিন ভোরে পানিতে ফুল ভাসানোর মধ্য দিয়ে উৎসবের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। এদিনে শিশু-কিশোর-কিশোরীরা খুব ভোরে ঘুম থেকে  উঠে বনফূল সংগ্রহ করে বাড়ি অঙ্গিনা সাজায় ও তরুন-তরুনীরা পাড়ায় পাহাড় বৃদ্ধদের শ্রদ্ধার সাথে ¯œান করায়। আদিবাসী মেয়েরা বাড়ি-ঘর পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন করে থাকে। সন্ধ্যায় বৌদ্ধ মন্দির, নদীর ঘাটে, বাড়ীতে প্রদীপ প্রজ্জালন করা হয়।

 

উৎসবের দ্বিতীয় দিন মূল বিজু। এ দিনে বাড়িতে বাড়িতে শুধূ চলে খাওয়া-দাওয়ার পর্ব ও আন›ন্দ-পূর্তি।  বিভিন্ন রকমের সুস্বাদু খাবার দাবার আগত অতিথিদের পরিবেশন করা হয়।

 

উৎসবের তৃতীয় দিনে অর্থাৎ ১৪ এপ্রিল “গজ্যাপজ্যা বিজু”। এ দিনে পাহাড়িরা সারাদিন ঘরে বসে বিশ্রাম নিয়ে থাকে। এ দিন বৌদ্ধ মন্দিরে প্রার্থনা ও বয়োজ্যেষ্ঠদের বাড়িতে ডেকে নিয়ে এসে যত্ন সহকারে ভাত খাওয়ানোসহ আর্শীবাদ নেয়া হয়। এদিনটিকে পাহাড়িরা মনে করে থাকে সারাদিন আনন্দ আর হাসি-খূশিতে কাটাতে পারলে সারা বছর সূখে শান্তিতে ও ধন-ধৌলতে কেটে যাবে। এ দিন তারা যে কোন প্রাণী হত্যা থেকে বিরত থাকে।

 

অন্যদিকে,মারমা সম্প্রদায় এদিন ঐতিহ্যবাহী পানি খেলার আয়োজন করে থাকে। তারা পানি খেলার মাধ্যমে পূরনো বছরের সমস্ত গ্লানি ও দূঃখ কষ্টকে দূর করে নতুন বছরকে বরণ করে থাকে।

--হিলবিডি২৪/সম্পাদনা/সিআর.

ads
ads
এই বিভাগের সর্বশেষ
আর্কাইভ