• Hillbd newsletter page
  • Hillbd rss page
  • Hillbd twitter page
  • Hillbd facebook page
সর্বশেষ
বৃহস্পতিবার থেকে ফের সাজেকে সড়ক অবরোধের ডাক                    বিলাইছড়িতে মণ্ডপ পরিদর্শনে জোন কমান্ডার                    মিথ্যা তথ্য দিয়ে গুজবে বিশৃঙ্খলার ফাঁদে পা না দেয়ার আহ্বান পার্বত্যপ্রতিমন্ত্রী                    সাজেক ভ্রমণে পর্যটকদের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করল প্রশাসন                    বিলাইছড়িতে ফ্যামিলি কার্ড তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণের উদ্বোধন                    বিলাইছড়িতে দুস্থ ৬ পরিবারের মাঝে টেউটিন ও নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান                    দুর্যোগ প্রশমন দিবসে বিলাইছড়িতে আলোচনা সভা                    শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে রাঙামাটি রিজিয়নের নিরাপত্তা সমন্বয় সভা                    আশিকা-উন্মুক্ত দরপত্র বিজ্ঞপ্তি                    আশিকা-উন্মুক্ত দরপত্র বিজ্ঞপ্তি                    রাবিপ্রবিতে লিঙ্গুইস্টিকস অ্যান্ড সিএইচটি ল্যাঙ্গুয়েজেস ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার অনুমোদন                    সাজেক পর্যটন কেন্দ্র সাময়িকভাবে বন্ধের ঘোষনা করেছে জেলা প্রশাসন                    রাঙামাটিতে সেনাবাহিনীর বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা পেল হাজারও মানুষ                    উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ও সরকারি চাকুরিতে কোটা পুর্নবহালের দাবিতে রাঙামাটিতে বিক্ষোভ-সমাবেশ                    বিলাইছড়িতে মিডওয়াইফ ও নার্সিং প্রশিক্ষণ সমাপনী ও সনদপত্র বিতরণ                    রাঙামাটি চ্যাম্পিয়ন লিগ ফুটবলে বিলাইছড়ি উপজেলা দলের শিরোপা লাভ                    Hill Flower Tender Notice                    রাঙামাটিতে এআই,ফ্যাক্ট চেকিং ও সাংবাদিক সুরক্ষা বিষয়ক তিনদিনের প্রশিক্ষণ কর্মশালা                    দুর্যোগে অসহায়দের পাশে দাঁড়াতে সামর্থ্যবান ও প্রতিষ্ঠানকে আহ্বান-দীপন তালুকদার দীপু                    বিলাইছড়িতে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত                    বিলাইছড়িতে নতুন ইউএনও হিসেবে অভি দাশ এর যোগদান                    
 
ads

পার্বত্য চট্টগ্রামের পাংখোয়া সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য

বিশেষ রিপোর্টার : হিলবিডি টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published: 21 Aug 2014   Thursday

 

 

 

পাংখোয়া সম্প্রদায় পার্বত্য চট্টগ্রামের একটি আদিবাসী জনগোষ্ঠী। পাহাড়ে অন্যান্য সম্প্রদায়ের চেয়ে এই সম্প্রদায়ের বসবাস খুবই কম। তবে রাঙামাটি জেলার বাঘাইছড়ি,বিলাইছড়ি,বরকল,জুরাছড়ি উপজেলা এবং বান্দরবান জেলার রুমা উপজেলায় পাংখোয়াদের বসবাস রয়েছে। এছাড়া ভারতের মিজোরাম রাজ্যের বিপুল সংখ্যক পাংখোয়া সম্প্রদায়ের বসবাস রয়েছে। পাংখোয়া সম্প্রদায়ের রয়েছে নিজস্ব সংস্কৃতি-ঐতিহ্যের গান ও নৃত্য। এই জনগোষ্ঠীর অধিকাংশই জুমচাষ ও বন্যপ্রাণী শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করে থাকেন। তারা বন্যপ্রাণী শিকারের পর সেগুলোর বন্য প্রানীর মাথা বাড়ির সামনে ঝুলিয়ে রাখেন। বাঘ,গয়াল প্রভৃতি বন্যপ্রাণী শিকার করতে পারলে তারা তা বীরত্ব হিসেবে গণ্য হন। পাংখোয়া নারীরা পিতলের তৈরি বিভিন্ন কটিবন্ধ ব্যবহার করে থাকেন। পাংখোয়া নারীরা সাধারনত স্কার্ট কোমরে জড়িয়ে রাখার জন্য পিতলের রিং কটিবন্ধ হিসেবে ব্যবহার করেন। অনেক নারী ঘুঙুর জাতীয় শিকল আড়াআড়ি করে পরেন এবং মাথায় ও গলায় নক্সা করে পুঁতির মালা পরে থাকেন। পাংখোয়াদের মাঝে ঐতিহ্যবাহী সাজগোজের প্রচলন রয়েছে। তবে তারা ফ্যাশন অনুরাগী। পাংখোয়া নারীরা নিজস্ব রঙের থামি কাপড় পরার পাশাপাশি স্কার্ট ও ব্লাউজ পরে। অতীতে পাংখোয়া নারীরা পানিতে ছাই মিশিয়ে তা ছেঁকে পরিষ্কার পানি দিয়ে চুল ধোয়ার কাজে ব্যবহার করতেন। তারা এখন বিশেষ অনুষ্ঠানে বিভিন্ন প্রসাধনী সামগ্রী ব্যবহার করে থাকেন। পাংখোয়া পুরুষরা সাধারণত প্যান্ট,শার্ট পরিধান করে থাকেন। পাংখোয়া পুরুষ হাতে চুড়ি,কানফুল,চুলে ক্লিপ ও ফুল, মথুরা বা বন মোরগের পালক ,রাজধনেশ ও ভিমরাজ পাখির পালক এসব পুরুষরা চুলের ঝুটিতে ফ্যাশন হিসেবে ব্যবহার করেন। পাংখোয়া সম্প্রদায় খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী হওয়ায় এখন তাদের সমাজে পশ্চিমা সংস্কৃতির সাজগোজ রয়েছে। প্রকৃতিগতভাবে পাংখোয়া সম্প্রদায় গান ও নৃত্যে পারদর্শী। ছোট থেকে তারা নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের আঙ্গিকে গান-বাজনা ও নৃত্য চর্চা করেন। পাংখোয়া সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী বাঁশ নৃত্য অত্যন্ত দৃষ্টিনন্দন ও জনপ্রিয় নৃত্য। বাজনার তালে তালে, তালের ঝংকারে,সুরের মুর্ছনায় ছন্দময় বাঁশের ফাঁকে যখন তরুণীরা নৃত্য পরিবেশন করে তখন দর্শকের হৃদয়-মন আনন্দে হয়ে উঠে দৃষ্টিসুখকর। শিকার মিললে তারা শিকারী গানের তালে তালে বন্য প্রাণীর শির নিয়ে নৃত্য করে থাকেন। পাংখোয়াদের শিকারী নৃত্যের গান হল সা-খা-লা…। জুম কাটার সময় একাকীত্ববোধ করলে তারা লোকগীত ভার হাই লা… গেয়ে থাকেন। শোকাহত পরিবারকে সাত্বনা দেয়ার জন্য তারা দলীয় নৃত্য লেং দেয় লা… পরিবেশন করে থাকেন। বাচ্ছা ঘুমপাড়ানোর জন্য ওরা নাউ ওয়াই লা… গানটি গেয়ে থাকেন। পাহাড়ের চুড়ায় তাদের বাড়ীগুলো মাচাং করে তৈরি করা হয়। তবে অধিকাংশ বাড়ির ভেতরে পৃথক পৃথক কক্ষ বা বেড়া থাকে না। পাংখোয়া সম্প্রদায়রা তাদের সামাজিক-সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য নিজস্ব গান ও নৃত্যের মাধ্যমে চমৎকারভাবে তুলে ধরে থাকেন।

–হিলবিডি২৪/সম্পাদনা/সিআর.

 

 

 

সংশ্লিষ্ট খবর:
ads
ads
এই বিভাগের সর্বশেষ
আর্কাইভ