• Hillbd newsletter page
  • Hillbd rss page
  • Hillbd twitter page
  • Hillbd facebook page
সর্বশেষ
সাজেকের পরিস্থিতি নিরসনে তিন সদস্যর কমিটি,সোমবার আন্দোলনকারীদের সাথে বৈঠক                    রাঙামাটিতে প্রবারণা পূর্নিমা উদযাপন                    বিলাইছড়িতে প্রবারণা পূর্ণিমা উদযাপন                    বৃহস্পতিবার থেকে ফের সাজেকে সড়ক অবরোধের ডাক                    বিলাইছড়িতে মণ্ডপ পরিদর্শনে জোন কমান্ডার                    মিথ্যা তথ্য দিয়ে গুজবে বিশৃঙ্খলার ফাঁদে পা না দেয়ার আহ্বান পার্বত্যপ্রতিমন্ত্রী                    সাজেক ভ্রমণে পর্যটকদের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করল প্রশাসন                    বিলাইছড়িতে ফ্যামিলি কার্ড তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণের উদ্বোধন                    বিলাইছড়িতে দুস্থ ৬ পরিবারের মাঝে টেউটিন ও নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান                    দুর্যোগ প্রশমন দিবসে বিলাইছড়িতে আলোচনা সভা                    শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে রাঙামাটি রিজিয়নের নিরাপত্তা সমন্বয় সভা                    আশিকা-উন্মুক্ত দরপত্র বিজ্ঞপ্তি                    আশিকা-উন্মুক্ত দরপত্র বিজ্ঞপ্তি                    রাবিপ্রবিতে লিঙ্গুইস্টিকস অ্যান্ড সিএইচটি ল্যাঙ্গুয়েজেস ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার অনুমোদন                    সাজেক পর্যটন কেন্দ্র সাময়িকভাবে বন্ধের ঘোষনা করেছে জেলা প্রশাসন                    রাঙামাটিতে সেনাবাহিনীর বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা পেল হাজারও মানুষ                    উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ও সরকারি চাকুরিতে কোটা পুর্নবহালের দাবিতে রাঙামাটিতে বিক্ষোভ-সমাবেশ                    বিলাইছড়িতে মিডওয়াইফ ও নার্সিং প্রশিক্ষণ সমাপনী ও সনদপত্র বিতরণ                    রাঙামাটি চ্যাম্পিয়ন লিগ ফুটবলে বিলাইছড়ি উপজেলা দলের শিরোপা লাভ                    Hill Flower Tender Notice                    রাঙামাটিতে এআই,ফ্যাক্ট চেকিং ও সাংবাদিক সুরক্ষা বিষয়ক তিনদিনের প্রশিক্ষণ কর্মশালা                    
 
ads

কর্মশালায় বক্তারা
পার্বত্য অঞ্চলের সাংঘর্ষিকপূর্ণ আইন আইনের সুষমকরণ প্রক্রিয়ার বাস্তবায়নে বাধা

বান্দরবান প্রতিনিধি : হিলবিডি টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published: 04 May 2015   Monday

তিন পার্বত্য অঞ্চলে (বান্দরবান, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি) শাসন, ভূমি ও সম্পদ, অর্থ ও অন্যান্য বিষয়ক আইনের উপর এখনো অনেক অসঙ্গতি রয়েছে। যা আইনের সুষমকরণ প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্থ করছে। বিশেষ করে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির আলোকে সংশোধিত বা প্রণীত নুতন ও বিশেষ ধরণের পার্বত্য চট্টগ্রাম সম্পর্কিত আইনসমূহ যেমন, পার্বত্য জেলা পরিষদ আইন- ১৯৮৯ (অভিযোজনসহ), পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ আইন ১৯৯৮ ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয় মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত কর্মবন্টন, ১৯০০ সালের পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনবিধি এবং জাতীয় পর্যায়ের আইন। এ আইনগুলো একটির সঙ্গে অন্যটির সাংঘর্ষিকপূর্ণ। সাধারণ জনগণকে আইনগত সুবিধা দিতে হলে সাংঘর্ষিকপূর্ণ আইনগুলোকে সুষমকরণ করার তাগিদ দিয়েছেন কর্মশালার বিশ্লেষকরা।

 

সোমবার মেঘলা পর্যটন মোটেলের কনফারেন্স রুমে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ ও সিএইচটিডিএফ (পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন সহায়তা)-ইউএনডিপি যৌথ আয়োজিত পার্বত্য আইনসমূহের সুষমকরণ বিষয়ক কর্মশালায় বক্তারা অভিমত ব্যক্ত করেন।

 

দিন ব্যাপী এ কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ক্যশৈহ্লা। বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মোমিনুর রশীদ আমিন-এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বোমাং রাজার প্রতিনিধি রাজপুত্র চসিংপ্রু, আঞ্চলিক পরিষদ সদস্য সাধুরাম ত্রিপুরা মিল্টন, জেলা পরিষদ সদস্যবৃন্দ, ইউপি চেয়ারম্যানগণ, বিভিন্ন মৌজার হেডম্যান (মৌজা প্রধান), কার্বারী (পাড়া প্রধান) ও জেলা পরিষদের ন্যস্ত বিভিন্ন বিভাগের প্রধানগণ।    

 

কর্মশালায় পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের আইনসমূহ সুষমকরণের পথ নকশা বা পরিকল্পনা প্রণয়ন সংক্রান্ত ধারণাপত্র প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন, পার্বত্য স্থানীয় বিষয়ক উপদেষ্টা ও পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ সদস্য গৌতম কুমার চাকমা। প্যানেল আলোচক ছিলেন, আইনজীবী বাসিংথুয়াই মার্মা, মাধবী মার্মা ও জেলা পরিষদ সদস্য লক্ষীপদ দাশ।

 

কর্মশালায় বক্তারা আরও বলেন, তিন পার্বত্য জেলা পরিষদের বিশেষ আইনে ভূমি সংক্রান্ত বিষয়ে বলা আছে, জেলায় ইজারা, লিজ, বন্দোবস্তি, ক্রয়-বিক্রয় ও হস্তান্তর করতে হলে জেলা পরিষদের পূর্বানুমোদন প্রয়োজন। সেখানে জেলা প্রশাসন এই আইনটি মান্য করে না। এছাড়া পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের ১৯০০ সালের রেগুলেশন এ্যাক্ট আইনের সঙ্গে জাতীয় পর্যায়ের আইন বা সাধারণ আইনে অসঙ্গতি রয়েছে। ১৯০০ সালের রেগুলেশন এ্যাক্ট ও পার্বত্য চুক্তি আইনে প্রথাগত আইনকে বিচারে প্রধান্য দেওয়ার কথা বলা আছে। সেখানে প্রচলিত আইনে পার্বত্য অঞ্চলের এই প্রথাগত আইনকে বিবেচনায় আনা হয় না। এমন আরো অনেক আইন রয়েছে যা একটির সঙ্গে অন্যটির সাংঘর্ষিকপূর্ণ।

 

প্রবন্ধে বলা হয়, ২০১৪ সালে “জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচীর পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন সহায়তা’-এর সহযোগিতায় পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের বিশেষ শাসন প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত আইনসমূহের সুষমকরণ বিষয়ে একটি গবেষণা পরিচালিত হয়। এ গবেষণায় আইনের সুষমকরণ প্রক্রিয়া বাস্তবায়ন করতে হলে পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসন , ভূমি ও সম্পদ, অর্থ ও বিবিধ বিষয়ে ২৬টি জাতীয় আইন এবং ১২টি পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল সম্পর্কিত অন্যান্য আইনসহ আরো বিভিন্ন আইন ও বিধিমালা এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কর্মবন্টন ইত্যাদির সুষমকরণ করা অপরিহার্য বলে সুপারিশ করেছে।   

--হিলবিডি২৪/সম্পাদনা/সিআর.

ads
ads
আর্কাইভ