রাঙামাটিতে পুষ্টি পরিষেবার ঘাটতি পূরণ এবং পদ্ধতিগত প্রক্রিয়ার জন্য স্থানীয় লাইন বিভাগের সাথে রোববার এক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ সন্মেলন কক্ষে বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা হিলফ্লাওয়ারের উদ্যোগে আয়োজিত সভা প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কৃষিবিদ কাজল তালুকদার। হিলফ্লাওয়ারের নির্বাহী পরিচালক ডাঃ নিলু কুমার তংচংগ্যার সভাপতিত্বে অন্যান্যর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিভিল সার্জন ডাঃ নূয়েন খীসা, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান, জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ একেএম ফজলুল হক, জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপপচিালক মোহাম্মদ ওমর ফারুখ. জেলা সমবায় কর্মকর্তা মৌসুমী ভট্টাচার্য্য, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলের সমন্বয়কারী নিখিল চাকমাসহ অন্যান্যরা।
সভায় বক্তারা বলেন, রাঙামাটির দুর্গম ও প্রত্যন্ত এলাকায় যতেষ্ট পুষ্টি ঘাটতি রয়েছে। এনিয়ে কাজ করা প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। শিক্ষার ও সচেতনতার অভাবে বহু মানুষ পুষ্টিহীনতায় ভূগছেন।
বক্তারা আরো বলেন, সচেতনতার অভাবে দুর্গম এলাকার বাসিন্দারা আগের তুলনায় মাছ চাষ, গবাদী পশু, হাঁস-মুগরী পালন করছেন না। আবার সেখানে মাছ-মাংস কিনলেও পাওয়া যাচ্ছে না। সেকারণে তাঁদের আমিষের অভাবে অধিকাংশ মানুষ পুষ্টিহীনতা রয়েছে। তাঁদের সরকারি-বেসরকারি ও উন্নয়ন সংস্থাদের মাধ্যমে নানা কর্মশালা ও সচেতনতার কার্যক্রম পরিচালনা জরুরি।
জেলা সিভিল সার্জন নূয়েন খীসা বলেন, জলবাযু পরিবর্তনের কারণে দুর্গম এলাকার ছড়া ও ঝিরিগুলোতে এখন তেমন মাছ পাওয়া যায় না। সেখানে বসবাসরত মানুষের মাছের ঘাতটি যতেষ্ট রয়েছে। তাই মৎস্য কার্যালয়ের মাধ্যমে দুর্গম এলাকা ছড়াগুলোতে তেলাপিয়া মাছের চাষ করা যেতে পারে। কারণ সেখানে শুধু শুস্ক মৌসুমে চাষ করা যাবে। বর্ষা সময় ঝিরি-ছড়াগুলো বৃষ্টির পানি বেড়ে গিয়ে ¯্রােত বেড়ে যায়।
জেলা পরিষরেদ চেয়ারম্যান কাজল তালুকদার বলেন, সচেতনতার অভাব ও অজ্ঞতার কারণে প্রত্যন্ত এলাকার মানুষ হাসঁ-মুরগী ও ছাগল পালন করছে না। তাঁদে এসব প্রাণী পালনের উদ্বুদ্ধ করতে হবে। মাছ ও মাংস অভাবে তাঁদের আমিষের ঘাতটি দেখা দেয়। একারণে অধিকাংশ মানুষ পুষ্টিহীনতায় ভূগছেন।
--হিলবিডি২৪/সম্পাদনা/সিআর.