• Hillbd newsletter page
  • Hillbd rss page
  • Hillbd twitter page
  • Hillbd facebook page
সর্বশেষ
পাহাড়ে নারীদের অধিকার ও ক্ষমতায়নে লড়াই করছেন সূচরিতা চাকমা                    Request for Quotation (RFQ)                    Request for Quotation (RFQ)                    হিলফ্লাওয়ার                    আশিকা টেন্ডার বিজ্ঞপ্তি                    বিলাইছড়িতে অগ্নিকাণ্ডে ৩টি ঘর পুড়ে ছাই                    Request For Quotation Notice                    ফারুয়া উচ্চ বিদ্যালয় পরিদর্শনে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান                    ফারুয়া থানা পরিদর্শন করলেন পুলিশ সুপার                    Vendor Enlistment Notice                    জেলা পর্যায়ে আঞ্চলিক পরিষদ ও সরকারি কর্মকর্তাদের সাথে সমন্বয় সভা                    দরপত্র বিজ্ঞপ্তি                    রাঙামাটিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস উদযাপিত                    বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রইফের সমাধিতে বিজিবির মহাপরিচালকের পক্ষ থেকে পুষ্পমাল্য অর্পন                    রাঙামাটিতে টেলিভিশন জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের আত্মপ্রকাশ                    পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়নে বৃহত্তর আন্দোলনে সামিল হওয়ার আহবান                    আগামী ক্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে জেএসএস অংশ নিচ্ছে                    রাঙামাটিতে মেডিকেল টেকনোলজিষ্ট ও ডিপ্লোমা ফার্মামিষ্টদের কর্মবিরতি পালন                    ৯৯নং রাঙামাটি আসনের বিএনপির প্রার্থী দীপেন দেওয়ানের মতবিনিময় সভা                    নবাগত জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফীর সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময়                    শিক্ষক নিয়োগে কোটা বৈষম্যের প্রতিবাদে রাঙামাটিতে বৃহস্পতিবার থেকে ৩৬ ঘন্টার হরতাল                    
 
ads

৪ মাস ধরে নিখোঁজ রাঙামাটির বন বিভাগের বাগানমালি খলিল!

স্টাফ রিপোর্টার : হিলবিডি টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published: 28 Jun 2018   Thursday

চার মাস ধরে নিখোজ রয়েছেন মোঃ খলিল মিয়া নামে রাঙামাটি বন বিভাগের এক বাগানমালির। তার ভাগ্যে কী ঘটেছে তা কিছুই জানতে পারছেন না স্বজনরা। হন্যে হয়ে খলিলকে খুঁজছে পরিবার। অথচ কোথাও খোঁজ মিলছে না। বন বিভাগ বলছে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার বিষয়ে খলিলকে বারবার নোটিশ দেয়া হয়েছে। কিন্তু কর্মস্থলে ফিরছেন না খলিল। নিখোঁজের ব্যাপারে তার পরিবারের পক্ষ থেকে সাধারন ডায়েরি করা হয়েছে।

 

জানা যায়, মো. খলিল রাঙামাটি বন সার্কেলের অধীন পার্বত্য চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের রাঙামাটির সদর দফতরে কর্মরত বাগানমালি। ৮ মার্চ অফিসে গিয়ে আর বাড়ি ফেরেননি তিনি। তার এ রহস্যজনক নিখোঁজ নিয়ে চরম হতাশায় পরিবার। খলিল মিয়ার নিখোঁজ হওয়ার বিষয়ে একই বিভাগে শিজক রেঞ্জে কর্মরত চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারি বুলবুলের হাত রয়েছে বলে সন্দেহ তাদের।

 

খলিলের স্ত্রী জরিনা বেগম বলেন, খলিল বাড়ি না ফেরায় বিষয়টি প্রথমে সংশ্লিষ্ট বন বিভাগকে জানিয়েছেন। কিন্তু তার স্বামীর সন্ধান নিয়ে এ পর্যন্ত নূন্যতম সহায়তা করছে না বন বিভাগ। তাদের গরিমসি দেখে পরে রাঙ্গামাটি কোতোয়ালি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছি।

 

তিনি বলেন, যে কোনো কিছুর বিনিময়ে আমার স্বামীকে জীবিত বা মৃত উদ্ধারের জন্য প্রশাসনের সহযোগিতা চাই। আমার স্বামীর নিখোঁজের বিষয়ে সব তথ্য ওই বুলবুলের কাছে জানা আছে। কারণ আমার স্বামীর সঙ্গে বিভিন্ন ধরনের ব্ল্যাকমেইলিং করতে চেয়েছে ওই বুলবুল। বুলবুলই আমার স্বামীকে অপহরণ করেছে বলে আমাদের ধারণা। তাকে আটক করলে আসল রহস্য বেরিয়ে আসবে। স্বামীর অনুপস্থিতিতে বর্তমানে ২ ছেলে ১ মেয়েকে নিয়ে নিদারুণ কষ্টে আছি। বন বিভাগ কোনো সহায়তাই করছে না। আমি রাঙ্গামাটি বন সংরক্ষক এবং উত্তর বন বিভাগের কর্মকর্তার কাছে গিয়ে অনেক ধরণা দিয়েচি। অথচ মানবিক সহযোগিতাটুকু পাইনি। উল্টো তারা আমাকে বলেছেন, আমি খলিল মিয়ার স্ত্রী কিনা তাতে নাকি তাদের যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে।

 

খলিল মিয়ার স্ত্রী জরিনা বেগম জানান, ৮ মার্চ অফিসে যাওয়ার পর আমার স্বামী বাসায় না ফেরায় রাতে তার সঙ্গে ফোনে কথা বলি। তখন বলেছেন, চট্টগ্রাম গেছেন। মনে করেছিলাম অফিসের কাজে গেছেন। কিন্তু ১০ মার্চ কল করে দেখি তখন থেকে ফোন বন্ধ। পরে বিষয়টি অফিসে জানালে আমাকে খোঁজ নিতে বলা হয়। এরপর ১৫ মার্চ চট্টগ্রাম থেকে একটি নম্বর থেকে ফোনে কল আসে। রিসিভ করলে অপর প্রান্ত থেকে ফোনে বলা হয়, খলিল মিয়াকে আপনি এসে নিয়ে যান। কিন্তু সঙ্গে অনেক টাকা আনতে হবে। এ বিষয়টিও অফিসকে জানিয়েছি। পরে ফোনটি বন্ধ করে দেয়া হয়।

 

উত্তর বনবিভাগের অধীন শিজক রেঞ্জে কর্মরত বাগানমালি বুলবুল হানিফ বলেন, নিখোঁজ খলিল মিয়া আমার পরিচিত। আমার সঙ্গে চাকরি করেছেন। আমাদের আত্মীয়-স্বজনদের চাকরি নিয়ে দিতে পারবে কথা বলায় আমরা তাকে দফায় দফায় প্রায় ১৬ লাখ টাকা দিয়েছি। সর্বশেষ তাকে ৪ লাখ দিয়েছিলাম। এখন খলিলের পরিবার আমাকে অন্যায়ভাবে ভুল বুঝছে।

 

যোগাযোগ করা হলে রাঙামাটি সার্কেলের বন সংরক্ষক মো. সানা উল্লাহ পাটোয়ারি বলেন, বাগানমালি খলিল মিয়ার দীর্ঘদিন ধরে খোঁজ নেই। তাই অফিসিয়ালি যা যা করার তা বন বিভাগ করছে। বিষয়টি পুলিশকে অবগত করা হয়েছে। এ ছাড়া তার একাধিক স্ত্রী রয়েছে। তার আসল পরিবার কোনটি তা নিয়েও সন্দেহ আছে। এ কর্মচারী যেহেতু নিখোঁজ, তা নিয়ে বন বিভাগের করার বা কী আছে। নিয়ম অনুযায়ী যা করার তাই করে যাচ্ছি। তার পরিবারকে সহায়তা দেয়া হচ্ছে বিভাগ থেকে।

 

পার্বত্য চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের কর্মকর্তা মো. সফিকুল ইসলাম বলেন, এ বাগানমালি খলিল মিয়া উত্তর বন বিভাগের অধীন এক কর্মচারী। তার নিখোঁজ বিষয়টি জেনেছি। আমরা তার অপেক্ষায় আছি। এরপরও কোনো সাড়া না পাওয়ায় সরকারি বিধি মোতাবেক  নিখোঁজ বিষয়ে পত্রিকায় দিয়েছি। পুলিশ সুপারকে অবগত করেছি। তার পরিবারকেও আমরা সার্বিক সহযোগিতা করছি। খলিলের পরিবার যেসব অভিযোগ করেছে, তা সঠিক নয়।

 

পুলিশ সুপার মো. আলমগীর কবির বলেন, এ ব্যাপারে বন বিভাগের কর্তৃপক্ষ মামলা করেছে। নিখোঁজ খলিল মিয়ার ব্যাপারে অনুসন্ধান চলছে। নানা কারণে হয়ত সে আত্মগোপনেও থাকতে পারে বলে আমরা ধারণা করছি।

--হিলবিডি২৪/সম্পাদনা/সিআর.

 

 

ads
ads
আর্কাইভ