রাঙামাটিতে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য্যরে মধ্যে দিয়ে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হয়েছে।
আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে শুক্রবার বিলাইছড়ি উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে গরীব, অসহায় ও দুঃস্থ পরিবারের মাঝে ঈদ বস্ত্র বিতরণ করেছে
বরকল উপজেলার বিভিন্ন বন্যা কবলিত এলাকায় শুক্রবার রাঙামাটি পার্বত্য জেলা
পার্বত্য জেলা পরিষদ সদস্য সবির কুমার চাকমা বরকলের
রাঙামাটির লংগদু উপজেলার দোজর পাড়া এলাকায় শুক্রবার সকালে দুর্বৃত্তদের গুলিতে সংস্কারপন্থী এমএন লারমা গ্রুপের জনসংহতি সমিতির(জেএসএস’র) এক কর্মী নিহত ও অপর ১ জন আহত হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।
রাঙামাটির বাঘাইছড়ির উপজেলার বন্যা পরিস্থিতি এখনো অপরিবর্তিত রয়েছে। বাঘাইছড়ির ১৬টি গ্রাম সম্পূর্ণ পানিতে তলিয়ে গেছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে রাঙামাটি সদর উপজেলার মগবান ইউনিয়ন দিয়ে টর্নেডো বয়ে যায়। এতে তিনটি বাড়ী বিধস্ত ও ব্যাপক গাছপালার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ থেকে কোতয়ালী থানায় ৩টি ৩২ইঞ্চি রঙ্গীন এলইডি টেলিভিশন প্রদান করা হয়।
তিন দিনে ভারী বর্ষনের কারণে ঝুকিপুর্ন স্থানে বসবাসকারী লোকজন জেলা প্রশাসনের আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নিলেও বুধবার থেকে বৃষ্টিপাত কমে যাওয়ায় আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রিতরা স্ব-স্ব বাড়ীতে ফিরতে শুরু করেছেন।
টানা বৃষ্টিতে বিলাইছড়িতে বিভিন্ন জায়গায় ছোট-খাটো পাহাড় ধস দেখা গেছে। ঝঁকিপূর্ণ জায়গায় বসবাসকারীদের সাময়িক নিরাপদ স্থানে আশ্রয়ের জন্য উপজেলা প্রশাসন উপজেলায় একটি অস্থায়ী আশ্রয়স্থল খোলা হয়েছে
বুধবার কাপ্তাইয়ে পাহাড় ধস ট্র্যাজেডীর এক বছর। গেল বছর ১৩ জুন ভয়াবহ পাহাড় ধসে কাপ্তাই উপজেলার বিভিন্ স্থানে শিশুসহ ১৮ জনের মুত্যু হয়।
অবিরাম ভারী বর্ষনে রাঙামাটির নানিয়ারচর উপজেলার পাহাড় ধসে মাটি চাপা পড়ে চারটি স্থানে শিশুসহ ১১ জনের মৃত্যু ও ৩ জন আহত হয়েছেন।
মারাত্মক বিপজ্জনক সত্বেও কাপ্তাইয়ের বিভিন্ন স্থানে পাহাড়ের ঢালে প্রায় ১০ হাজার লোক ঝূঁকিপূর্ণ অবস্থায় বসবাস করছে।