রাঙামাটিতে ফের পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার দিনভর থেমে থেমে বৃষ্টিপাতের কারণে রাঙামাটি-চট্টগ্রাম সড়কের দেপ্পোছড়ি এলাকায় পাহাড় ধসে পড়ে। এতে এক ঘন্টা যানবাহন চলাচল বন্ধ ছিল।
পাহাড় ধসের ঘটনায় রাঙামাটি শহরের বিভিন্ন কেন্দ্রে আশ্রয় নেয়া কিছু কিছু পরিবার নিজ উদ্যোগে বসত ভিটায় ফিরতে শুরু করেছেন।
পাহাড় ধস ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ থেকে রোববার ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে।
টানা বর্ষনে পাহাড় ধসে মারাত্মক বিপর্যয়ের ২০ দিনেও কাপ্তাই উপজেলায় সড়ক যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়নি। কিছু কিছু স্থানে বিজিবি’র প্রচেষ্টায় হালকা যানবাহন চলাচল করলেও ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে।
কাপ্তাই উপজেলার পাহাড় ধসে নিহত ১৮ পরিবারের মাঝে শনিবার নগদ অর্থ বিতরণ করেছে বিএনপি।
কাপ্তাই ১৯ বিজিবির অভিযানে শনিবার মধ্যরাত রাইখালির নারানগিরি খালের মুখ এলাকায় বাঁশের ঝাড় হতে পরিত্যত্ত অবস্হায় ১ টি পাইপগান,১ টি এলজি, ২ টি এলজি কার্তুজ, ২ কেজি পাউডার
রাঙামাটির বরকল উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পাহাড় ধসে ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ প্রায় এক হাজার পরিবারদের মাঝে শনিবার জেলা পরিষদেও পক্ষ থেকে খাদ্য শষ্য, শাড়ী, লুঙ্গি, ফলজ চারা ও সেলাই মেশিন বিতরন করা হয়েছে।
রাঙামাটি শহরের জেনারেল হাসপাতাল সড়ক এলাকায় একটি চারতলা ভবনের গ্যারেজে আগুন লেগে ১টি প্রাইভেট কার ও ৯টি মোটর সাইকেল পুড়ে গেছে।
অতি বর্ষনে ভয়াবহ পাহাড় ধসের ঘটনায় রাঙামাটিতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এক হাজার কোটি টাকার উপরে ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে ধারনা করা হচ্ছে।
শুক্রবার বিলাইছড়ি উপজেলার পাহাড় ধসে ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থদের ত্রান বিতরণ করা হয়েছে।
সংবিধানে পঞ্চদশ সংশোধনী বাতিলপূর্বক পার্বত্য চট্টগ্রামসহ দেশের সংখ্যালঘু জাতিসত্তাসমূহের উপর চাপিয়ে দেওয়া বাঙালি জাতীয়তা প্রত্যাহারের দাবীতে শুক্রবার রাঙামাটিতে সমাবেশ করেছে
সরকার এবং বিভিন্ন এনজিও সংস্হা সমূহের তদারকের ফলে বর্তমানে বাল্যবিবাহের হার অনেকাংশে কমে গেছে।