• Hillbd newsletter page
  • Hillbd rss page
  • Hillbd twitter page
  • Hillbd facebook page
সর্বশেষ
উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ও সরকারি চাকুরিতে কোটা পুর্নবহালের দাবিতে রাঙামাটিতে বিক্ষোভ-সমাবেশ                    বিলাইছড়িতে মিডওয়াইফ ও নার্সিং প্রশিক্ষণ সমাপনী ও সনদপত্র বিতরণ                    রাঙামাটি চ্যাম্পিয়ন লিগ ফুটবলে বিলাইছড়ি উপজেলা দলের শিরোপা লাভ                    Hill Flower Tender Notice                    রাঙামাটিতে এআই,ফ্যাক্ট চেকিং ও সাংবাদিক সুরক্ষা বিষয়ক তিনদিনের প্রশিক্ষণ কর্মশালা                    দুর্যোগে অসহায়দের পাশে দাঁড়াতে সামর্থ্যবান ও প্রতিষ্ঠানকে আহ্বান-দীপন তালুকদার দীপু                    বিলাইছড়িতে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত                    বিলাইছড়িতে নতুন ইউএনও হিসেবে অভি দাশ এর যোগদান                    বিলাইছড়িতে ইউএনওদের বিদায় ও বরণ অনুষ্ঠান                    বিলাইছড়িতে সেনা জোন কর্তৃক মিডওয়াইফ নার্সিং প্রশিক্ষণ                    বিলাইছড়িতে বিএনপি`র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন                    রাঙামাটিতে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত                    তিন ফুট খুলে দিয়ে কাপ্তাই বাঁধের পানির চাপ কমানো হচ্ছে                    বিলাইছড়িতে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উদ্বোধন                    বিলািইছড়িতে আশিকা’র প্রকল্প অবহিতকরণ সভা                    রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের সংবর্ধনা                    পুনঃ দরপত্র আহ্বান বিজ্ঞপ্তি (CRLIWM-CHT,WSM)                    Request for Re-Quotation-ASHIKA                    তিন পার্বত্য জেলা পরিষদের নতুন অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদ গঠিত                    AULSM CHTBD Project দরপত্র বিজ্ঞপ্তি                    আদিবাসী হিসেবে স্বীকৃতির দাবি জানালে বিছিন্নবাদী বলে তকমা দেওয়া হচ্ছে                    
 
ads

রাঙামাটিতে পাহাড় ধসের ঘটনায়
সরকারী স্থাপনা ও বিদ্যালয় ভবনে আশ্রিতদের অন্যত্র সরিয়ে নেয়ার সিদ্ধান্ত

স্টাফ রিপোর্টার : হিলবিডি টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published: 29 Jun 2017   Thursday

পাহাড় ধসের ঘটনায় রাঙামাটি শহরের আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নেয়া কিছু কিছু পরিবার নিজ নিজ জায়গায় ফিরতে শুরু করেছে বলে জানা গেছে। অন্যদিকে প্রশাসন বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতার রাঙামাটি ও যে সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আশ্রয় শিবির প্রতিষ্ঠা করেছিল সেগুলোর পরিবর্তে অন্যান্য স্থানে আশ্রিতদের সরিয়ে নেয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। 

 

জানা যায়, পাহাড় ধসের ঘটনার পর রাঙামাটি শহরের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সরকারী ভবনের ১৯টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা। হয়। এসব কেন্দ্রে মোট ৩ হাজার ২শলোকজন আশ্রয় নেন। এসব কেন্দ্রে আশ্রিতদের সকালের নাস্তা ও দুবেলা খাবারসহ ত্রাণ সমাগ্রি সরকারী ও বেসরকারীভাবে বিতরণ অব্যাহত রয়েছে।


বৃহস্পতিবার রাঙামাটি সরকারী কলেজ ও বিএডিসি ভবন আশ্রয় কেন্দ্রে ঘুরে জানা গেছে কিছু কিছু আশ্রিত পরিবার নিজ নিজ বাড়েিত ফিরে গেছেন। এর মধ্যে রাঙামাটি সরকারী কলেজ আশ্রয় কেন্দ্রে থাকা ৮১ পরিবারের মধ্যে ৩৬ পরিবার এবং বিএনডিসি ভবনে আশ্রিত ৭২ পরিবারের মধ্যে ৪পরিবার তাদের নিজ নিজ বসত ভিটায় ফিরেছেন।


রাঙামাটি সরকারী কলেজে আশ্রয় কেন্দ্রের টিম লিডার মোঃ ছগির হোসেন সত্যতা স্বীকার করে জানান, ক্ষতিগ্রস্থদের মধ্যে যারা ফিরে গেছেন তারা তাদের ভগ্ন বাড়ি ঘরে ফেলা আসা জিনিসপত্রের পাশাপাশি হাঁস মুরগির তত্বাবধানের জন্য ফিরে গেছে। বিএনডিসি ভবনে আশ্রিত টিম লিডার শেখ শুক্কর জানান, তার আশ্রয় কেন্দ্র ৪ পরিবার বসত ভিটায় চলে গেছেন।


এদিকে, জেলা প্রশাসন কার্যালয় চত্বরে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মানজারুল মান্নানের সভাপতিত্বে জেলা ত্রাণ ও পূর্নবাসন বিষয়ক এক জরুরী সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় জেলা সিভিল সার্জন ডা. শহীদ তালুকদার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শহীদুল্লাহ, রাঙামাটি পৌর মেয়র আকবর হোসেন চৌধুরীসহ কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।


সভায় পাহাড় ধসের ঘটনার পর প্রশাসন বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতার রাঙামাটি ও যে সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আশ্রয় শিবির প্রতিষ্ঠা করেছিল সেগুলোর পরিবর্তে অন্যান্য স্থানে আশ্রিতদের সরিয়ে নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। যেসব নতুন আশ্রয় কেন্দ্র করা হবে তার মধ্যে হল রাঙামাটি মেডিকেল কলেজের নতুন নির্মিত ছাত্রাবাস, রাঙামাটি জিমনেসিয়াম ও রাঙামাটি মারী স্টেডিয়ামের ড্রেসিং রুম। এছাড়া পর্যায়ক্রমে আরো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমুহের আশ্রিতদের অন্যত্র সরিয়ে নেয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয় বলে সভা সূত্রে জানা গেছে।


সভায় জেলা প্রশাসক বলেন, দুর্যোগের কারণে ক্ষতিগ্রস্থদের যথাযথ আশ্রয় নিশ্চিত করার জন্য বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতার রাঙামাটির মত কেপিআই(কি পয়েন্ট ইন্সটিটিউশন) আশ্রয় কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে এসমস্ত কেন্দ্রে সাধারন জনগণের চলাচল নিষিদ্ধ রয়েছে। তার সত্বেও মানবতার দিক দিয়ে বিচেনা করে দুর্গতদের আশ্রয় দেয়া হয়েছিল।

 

তিনি আরো বলেন, এ ক্ষেত্রে তিনটি পৃথক টিমের যাচাই-বাছাই শেষে যাদের আশ্রয় দেয়ার প্রয়োজন থাকবে তাদেরকে আশ্রয় দেয়া হবে।


তিনি বলেন,ক্ষতিগ্রস্থদের পুর্ণবাসনের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা হচ্ছে। তবে এতে একটু সময় লাগবে।


উল্লেখ্য, গেল ১৩ জুন ভারী বর্ষনে পাহাড় ধসে রাঙামাটিতে ৫ সেনা সদস্যসহ ১২০ জনের মৃত্যূ হয়। রাঙামাটি শহরের ১৯টি আশ্রয় কেন্দ্রে ৩হাজার ২শ জন নারী-শিশু ও পুরুষ আশ্রয় নিয়েছেন। রাঙামাটি-চট্টগ্রাম সড়কে দীর্ঘ এক সপ্তাহ বন্ধ থাকার পর হালকা যান চলাচলের জন্য খুলে দেয়া হয়েছে।
--হিলবিডি২৪/সম্পাদনা/সিআর.

 

ads
ads
আর্কাইভ