• Hillbd newsletter page
  • Hillbd rss page
  • Hillbd twitter page
  • Hillbd facebook page
সর্বশেষ
পাহাড়ে নারীদের অধিকার ও ক্ষমতায়নে লড়াই করছেন সূচরিতা চাকমা                    Request for Quotation (RFQ)                    Request for Quotation (RFQ)                    হিলফ্লাওয়ার                    আশিকা টেন্ডার বিজ্ঞপ্তি                    বিলাইছড়িতে অগ্নিকাণ্ডে ৩টি ঘর পুড়ে ছাই                    Request For Quotation Notice                    ফারুয়া উচ্চ বিদ্যালয় পরিদর্শনে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান                    ফারুয়া থানা পরিদর্শন করলেন পুলিশ সুপার                    Vendor Enlistment Notice                    জেলা পর্যায়ে আঞ্চলিক পরিষদ ও সরকারি কর্মকর্তাদের সাথে সমন্বয় সভা                    দরপত্র বিজ্ঞপ্তি                    রাঙামাটিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস উদযাপিত                    বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রইফের সমাধিতে বিজিবির মহাপরিচালকের পক্ষ থেকে পুষ্পমাল্য অর্পন                    রাঙামাটিতে টেলিভিশন জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের আত্মপ্রকাশ                    পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়নে বৃহত্তর আন্দোলনে সামিল হওয়ার আহবান                    আগামী ক্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে জেএসএস অংশ নিচ্ছে                    রাঙামাটিতে মেডিকেল টেকনোলজিষ্ট ও ডিপ্লোমা ফার্মামিষ্টদের কর্মবিরতি পালন                    ৯৯নং রাঙামাটি আসনের বিএনপির প্রার্থী দীপেন দেওয়ানের মতবিনিময় সভা                    নবাগত জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফীর সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময়                    শিক্ষক নিয়োগে কোটা বৈষম্যের প্রতিবাদে রাঙামাটিতে বৃহস্পতিবার থেকে ৩৬ ঘন্টার হরতাল                    
 
ads

রাঙামাটিতে পাহাড় ধসের ঘটনায়
সরকারী স্থাপনা ও বিদ্যালয় ভবনে আশ্রিতদের অন্যত্র সরিয়ে নেয়ার সিদ্ধান্ত

স্টাফ রিপোর্টার : হিলবিডি টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published: 29 Jun 2017   Thursday

পাহাড় ধসের ঘটনায় রাঙামাটি শহরের আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নেয়া কিছু কিছু পরিবার নিজ নিজ জায়গায় ফিরতে শুরু করেছে বলে জানা গেছে। অন্যদিকে প্রশাসন বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতার রাঙামাটি ও যে সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আশ্রয় শিবির প্রতিষ্ঠা করেছিল সেগুলোর পরিবর্তে অন্যান্য স্থানে আশ্রিতদের সরিয়ে নেয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। 

 

জানা যায়, পাহাড় ধসের ঘটনার পর রাঙামাটি শহরের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সরকারী ভবনের ১৯টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা। হয়। এসব কেন্দ্রে মোট ৩ হাজার ২শলোকজন আশ্রয় নেন। এসব কেন্দ্রে আশ্রিতদের সকালের নাস্তা ও দুবেলা খাবারসহ ত্রাণ সমাগ্রি সরকারী ও বেসরকারীভাবে বিতরণ অব্যাহত রয়েছে।


বৃহস্পতিবার রাঙামাটি সরকারী কলেজ ও বিএডিসি ভবন আশ্রয় কেন্দ্রে ঘুরে জানা গেছে কিছু কিছু আশ্রিত পরিবার নিজ নিজ বাড়েিত ফিরে গেছেন। এর মধ্যে রাঙামাটি সরকারী কলেজ আশ্রয় কেন্দ্রে থাকা ৮১ পরিবারের মধ্যে ৩৬ পরিবার এবং বিএনডিসি ভবনে আশ্রিত ৭২ পরিবারের মধ্যে ৪পরিবার তাদের নিজ নিজ বসত ভিটায় ফিরেছেন।


রাঙামাটি সরকারী কলেজে আশ্রয় কেন্দ্রের টিম লিডার মোঃ ছগির হোসেন সত্যতা স্বীকার করে জানান, ক্ষতিগ্রস্থদের মধ্যে যারা ফিরে গেছেন তারা তাদের ভগ্ন বাড়ি ঘরে ফেলা আসা জিনিসপত্রের পাশাপাশি হাঁস মুরগির তত্বাবধানের জন্য ফিরে গেছে। বিএনডিসি ভবনে আশ্রিত টিম লিডার শেখ শুক্কর জানান, তার আশ্রয় কেন্দ্র ৪ পরিবার বসত ভিটায় চলে গেছেন।


এদিকে, জেলা প্রশাসন কার্যালয় চত্বরে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মানজারুল মান্নানের সভাপতিত্বে জেলা ত্রাণ ও পূর্নবাসন বিষয়ক এক জরুরী সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় জেলা সিভিল সার্জন ডা. শহীদ তালুকদার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শহীদুল্লাহ, রাঙামাটি পৌর মেয়র আকবর হোসেন চৌধুরীসহ কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।


সভায় পাহাড় ধসের ঘটনার পর প্রশাসন বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতার রাঙামাটি ও যে সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আশ্রয় শিবির প্রতিষ্ঠা করেছিল সেগুলোর পরিবর্তে অন্যান্য স্থানে আশ্রিতদের সরিয়ে নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। যেসব নতুন আশ্রয় কেন্দ্র করা হবে তার মধ্যে হল রাঙামাটি মেডিকেল কলেজের নতুন নির্মিত ছাত্রাবাস, রাঙামাটি জিমনেসিয়াম ও রাঙামাটি মারী স্টেডিয়ামের ড্রেসিং রুম। এছাড়া পর্যায়ক্রমে আরো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমুহের আশ্রিতদের অন্যত্র সরিয়ে নেয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয় বলে সভা সূত্রে জানা গেছে।


সভায় জেলা প্রশাসক বলেন, দুর্যোগের কারণে ক্ষতিগ্রস্থদের যথাযথ আশ্রয় নিশ্চিত করার জন্য বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতার রাঙামাটির মত কেপিআই(কি পয়েন্ট ইন্সটিটিউশন) আশ্রয় কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে এসমস্ত কেন্দ্রে সাধারন জনগণের চলাচল নিষিদ্ধ রয়েছে। তার সত্বেও মানবতার দিক দিয়ে বিচেনা করে দুর্গতদের আশ্রয় দেয়া হয়েছিল।

 

তিনি আরো বলেন, এ ক্ষেত্রে তিনটি পৃথক টিমের যাচাই-বাছাই শেষে যাদের আশ্রয় দেয়ার প্রয়োজন থাকবে তাদেরকে আশ্রয় দেয়া হবে।


তিনি বলেন,ক্ষতিগ্রস্থদের পুর্ণবাসনের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা হচ্ছে। তবে এতে একটু সময় লাগবে।


উল্লেখ্য, গেল ১৩ জুন ভারী বর্ষনে পাহাড় ধসে রাঙামাটিতে ৫ সেনা সদস্যসহ ১২০ জনের মৃত্যূ হয়। রাঙামাটি শহরের ১৯টি আশ্রয় কেন্দ্রে ৩হাজার ২শ জন নারী-শিশু ও পুরুষ আশ্রয় নিয়েছেন। রাঙামাটি-চট্টগ্রাম সড়কে দীর্ঘ এক সপ্তাহ বন্ধ থাকার পর হালকা যান চলাচলের জন্য খুলে দেয়া হয়েছে।
--হিলবিডি২৪/সম্পাদনা/সিআর.

 

ads
ads
আর্কাইভ