• Hillbd newsletter page
  • Hillbd rss page
  • Hillbd twitter page
  • Hillbd facebook page
সর্বশেষ
আশিকা টেন্ডার বিজ্ঞপ্তি                    বিলাইছড়িতে অগ্নিকাণ্ডে ৩টি ঘর পুড়ে ছাই                    Request For Quotation Notice                    ফারুয়া উচ্চ বিদ্যালয় পরিদর্শনে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান                    ফারুয়া থানা পরিদর্শন করলেন পুলিশ সুপার                    Vendor Enlistment Notice                    জেলা পর্যায়ে আঞ্চলিক পরিষদ ও সরকারি কর্মকর্তাদের সাথে সমন্বয় সভা                    দরপত্র বিজ্ঞপ্তি                    রাঙামাটিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস উদযাপিত                    বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রইফের সমাধিতে বিজিবির মহাপরিচালকের পক্ষ থেকে পুষ্পমাল্য অর্পন                    রাঙামাটিতে টেলিভিশন জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের আত্মপ্রকাশ                    পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়নে বৃহত্তর আন্দোলনে সামিল হওয়ার আহবান                    আগামী ক্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে জেএসএস অংশ নিচ্ছে                    রাঙামাটিতে মেডিকেল টেকনোলজিষ্ট ও ডিপ্লোমা ফার্মামিষ্টদের কর্মবিরতি পালন                    ৯৯নং রাঙামাটি আসনের বিএনপির প্রার্থী দীপেন দেওয়ানের মতবিনিময় সভা                    নবাগত জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফীর সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময়                    শিক্ষক নিয়োগে কোটা বৈষম্যের প্রতিবাদে রাঙামাটিতে বৃহস্পতিবার থেকে ৩৬ ঘন্টার হরতাল                    তরুণ কবি ম্যাকলিন চাকমার একগুচ্ছ কবিতা                    সাজেকে মোবাইল নেটওয়ার্ক ফের চালুতে স্বস্তি                    চ্যাম্পিয়ন বিলাইছড়ি রাইংখ্যং একাদশ                    ফেন্সি স্কিন কেয়ার প্রোডাক্টস’র রাঙামাটিতে গ্র্যান্ড ওপেনিং                    
 
ads

রাঙামাটিতে পাহাড় ধসের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থরা দুই মাসেও পূর্নবাসিত হয়নি

স্টাফ রিপোর্টার : হিলবিডি টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published: 13 Aug 2017   Sunday

রাঙামাটিতে ভয়াবহ পাহাড় ধসের ঘটনায় দুই মাস পূর্ণ হল রোববার । আশ্রয় কেন্দ্রে থাকা ক্ষতিগ্রস্থরা এখনো পূর্নবাসিত হয়নি। ফলে ক্ষতিগ্রস্থ লোকজন আশ্রয় কেন্দ্রে মানবেতর জীবন যাপন করছে। তবে প্রশাসন বলছে মন্ত্রনালয় থেকে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ পাওয়া গেলে ও বৃষ্টিপাত কমে গেলে ক্ষতিগ্রস্থদের দ্রুত পূর্নবাসন করা হবে। 

 

জানা যায়, গেল ১৩ জুন ভারী বর্ষনে পাহাড় ধসে রাঙামাটি সদর,জুরাছড়ি,কাপ্তাই,কাউখালী ও বিলাইছড়ি এলাকায় দুই সেনা কর্মকর্তা ও তিন সেনা সদস্যসহ ১২০ জনের মৃত্যূ হয়। এ ঘটনায় রাঙামাটি শহরের ভেদেভদী, যুব উন্নয়ন বোর্ড শিমুলতলী,রুপনগর, নতুন পাড়া, মুসলিম পাড়া,মোনঘর এলাকা,ওমদা মিয়া হিলসহ বিভিন্ন এলাকায় লোকজন ক্ষতিগ্রস্ত হন। ক্ষতিগ্রস্থদের জন্য শহরের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ১৯টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়। এসব আশ্রয় কেন্দ্রে ৩ হাজার ২শ জন নারী-পুরুষ ও শিশু আশ্রয় নিয়েছিল। পরবর্তীতে পরিস্থিতি কিছুটা উন্নত হওয়ায় বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্রে থাকা কিছু সংখ্যক পরিবার নিজ নিজ বাড়ী ঘরে ফিরে যাওয়ায় ৬টি আশ্রয় কেন্দ্র করা হয়। বর্তমানে এসব আশ্রয় কেন্দ্রে নারী-পুরুষ ও শিশুসহ ১৩ শ ২৬ জন আশ্রয়ে রয়েছে। এসব আশ্রিত লোকজনদের মাঝে দুবেলা খাবারসহ অনান্য সহায়তা দেয়া হচ্ছে। পাহাড় ধসের ঘটনায় রাঙামাটি শহরে ৬টি আশ্রয় কেন্দ্রে থাকা ক্ষতিগ্রস্থদের লোকজনদের ঘটনার দুই মাসেরও পূর্নবাসিত হয়নি। এসব আশ্রয় কেন্দ্রে থাকা লোকজন মানবেতর জীবন যাপন করছে। এসব আশ্রয় কেন্দ্র হল রাঙামাটি জিমনেসিয়াম, মারী স্টেডিয়াম, মোনঘর ভাননা কেন্দ্র, রাঙামাটি সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়, রাঙামাটি মেডিকেল কলেজের নবনির্মিত ছাত্রাবাস  তবলছড়ি হিল কোয়ার্টার। 


রাঙামাটি স্টেডিয়ামের ড্রেসিং রুম, রাঙামাটি মেডিকেল কলেজের নবনির্মিত ছাত্রাবাস ও রাঙামাটি জিমনেসিয়াম আশ্রয় কেন্দ্রে থাকা ক্ষতিগ্রস্থরা জানান, আশ্রয় কেন্দ্রে থাকতে থাকতে তারা অধৈর্য্য হয়ে পড়েছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে কবে তাদের পূর্নবাসন করা হবে কিছুই বলছে। কবে তাদের পূর্নবাসন করা হবে বা তারা নিজেদের ভিটেমাটিতে ফিরতে পারবেন তারাই কিছ্ইু জানতে পারছেন না। তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এভাবে কত দিন আশ্রয় কেন্দ্রে পড়ে থাকবেন। তাদের পরিবারের ভবিষ্যত রয়েছে। তারা প্রশাসনের কাছে দ্রুত পূর্নবাসনের দাবী জানিয়েছেন।


জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মানজারুল মান্নান বলেন, পাহাড় ধসে ক্ষতিগ্রস্থ লোকজনের সংখ্যা বেশী। তাই মন্ত্রনালয়ের কাছে অধিক পরিমাণের ঢেউটিন ও অর্থ বরাদ্দের সহায়তা চেয়েছি। তবে ভারী বৃষ্টিপাত কমে গেলে অনুকুল পরিস্থিতি ফিরে আসলে এবং মন্ত্রনালয় থেকে বরাদ্দ পাওয়া গেলে ক্ষতিগ্রস্থদের দ্রুত পূনর্বাসন করা হবে। ইতোমধ্যে কাউখালী ও কাপ্তাইয়ের ক্ষতিগ্রস্থদের ঢেউটিন ও অর্থ দিয়ে পূর্নবাসন করা হয়েছে বলে তিনি জানান।


তিনি আরো বলেন,পাহাড় ধসের কারণে কাপ্তাই হ্রদের তলদেশে প্রচুর পরিমাণে পলি মাটি জমে যাওয়ায় হ্রদের পানি সহজে উচ্চতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে হ্রদের আশপাশ এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। এ জন্য হ্রদের কিছু কিছু পয়েন্টে ড্রেজিং করে নাব্যতা রক্ষা করতে হবে। তা না হলে আগামী শুস্ক মৌসুমে ৪ থেকে ৫টি উপজেলার সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।


উল্লেখ্য,গেল ১৩ জুন ভারী বর্ষনের কারণে পাহাড় ধসে রাঙামাটিতে ৫ সেনা সদস্যসহ ১২০ জনের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থ হয় ১৮ হাজার ৫৫৮টি পরিবার। এর মধ্যে ১হাজার ২৩১টি পরিবারের বাড়ী ঘর সম্পুর্ণ বিধস্ত হয়।
--হিলবিডি২৪/সম্পাদনা/সিআর.

ads
ads
আর্কাইভ